বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সময় নষ্ট না করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচন দিন। নতুন ইস্যু টেনে এনে সংস্কার, নির্বাচন, গণতন্ত্রের পথ প্রলম্বিত এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করবেন না। যৌক্তিক সময় পর হয়ে গেলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন ও গণতন্ত্রহীন জনগণের ধৈর্যের বাঁধ ধরে রাখা যাবে না।
আজ শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর জানজালিয়া ঈদগাহ মাঠে গাজীপুরে কর্মরত ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার অধিবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।
প্রেসিডেন্ট নিয়ে নতুন বিতর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হলে পরাজিত শক্তিসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সুযোগ সন্ধানী মহল অপউদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও সাংবিধানিকভাবে তিনি প্রেসিডেন্ট। তাকে অপসারণ করার সাংবিধানিক পদ্ধতি বিদ্যমান নাই। অন্য কোনো উপায়ে অপসারণ করতে গেলে সাংবিধানিক সঙ্কট বা শূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়।
প্রিন্স বলেন, গণহত্যাকারী, গণতন্ত্র হরণকারী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ গণশত্রু। তাদের কোনো ক্ষমা নাই। ভারতে রাষ্ট্রীয় আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে শেখ হাসিনা যতই আরাম-আয়েশ করুন না কেন, বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে তার হবে। আওয়ামী লীগের শরীরে ছাত্র-জনতার রক্তের দাগ। আওয়ামী লীগকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের গণহত্যার জন্য কোনো অনুশোচনা নেই। উল্টো তারা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায় চাপিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছে। তিনি সরকারের প্রতি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে ও বাসন থানার সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনিরের সঞ্চালনায় মতবিনিময়সভায় অন্যান্যের মধ্যে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শুক্কুর মাহমুদ ববি, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব সুরুজ আহমেদ, ভিপি জয়নাল আবেদীন তালুকদার, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুর রহমান মানিক, মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটন, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি আবদুল আজিজ খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এস আলম গ্রুপকে অর্থপাচারে সহায়তাকারী আটক
দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান