টানা সাফ জয়ের পর পাদপ্রদীপের আলোয় নারী ফুটবলাররা। নেপালে স্বাগতিকদের ফাইনালে কাঁদিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখা সাবিনাদের এর মধ্যেই পুরস্কৃত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও দিয়েছে বড় বোনাসের ইঙ্গিত। শনিবার নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় হবে সিদ্ধান্ত, আসবে ঘোষণা।
সালাউদ্দিন জমানায় বাফুফে একটা অন্তঃসারশূন্য প্রতিষ্ঠানের রূপ নিয়েছে। ফিফা-এএফসির অনুদান গত কয়েক বছরে ছিল বাফুফের অন্যতম আয়ের উৎস। এক বসুন্ধরা গ্রুপ ছাড়া সেভাবে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ফুটবল পৃষ্ঠপোষকতায় নিয়ে আসতে পারেননি সালাউদ্দিন। ফলে তহবিলের অবস্থা বড্ড সঙ্গীন। তার ওপর তাবিথ-ইমরুল হাসানদের কাঁধে সালাউদ্দিন চাপিয়ে দিয়ে গেছেন বিশাল (প্রায় ১৪ কোটি টাকা) ঋণের বোঝা।
তাই এ মুহূর্তে নিজস্ব তহবিল থেকে মেয়েদের বোনাস দেওয়ার সামর্থ্য নেই বাফুফের। গুঞ্জন আছে, মেয়েদের এই বোনাসটা নতুন কমিটির সব সদস্য নিজেদের পকেট থেকে দেওয়ার ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন শনিবারের সভায়। একজন কর্মকর্তার কথায় মিলেছে সেই ইঙ্গিত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাহী সদস্যরা প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা, চার সহসভাপতি ১০ লাখ করে, সিনিয়র সহসভাপতি ১৫ লাখ এবং সভাপতি যদি ২০ লাখ টাকা দেন, তবেই প্রায় দেড় কোটি টাকার মতো উঠে যায়। এখন দেখার এভাবে সবাই ব্যক্তিগতভাবে এগিয়ে আসবেন কি না।’
ভগ্নপ্রায় একটা প্রতিষ্ঠানকে শক্ত ভীতে দাঁড় করাতে সময়ের প্রয়োজন। সেই সময়টা পাওয়ার আগেই মেয়েদের বোনাসের কথা ভাবতে হচ্ছে বাফুফের নতুন কমিটিকে। এ অবস্থায় বিগত সভাপতি প্রতিশ্রুত অর্থের জন্য ছেলেদের অপেক্ষাটা বাড়বেই।
এক বছর পর ইউরোপের প্রতিযোগিতায় জয় ম্যানইউর
'অগ্রহণযোগ্য আচরণ' করে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ জোসেফ