এলাকায় মাদ্রাসাছাত্রীর বিরুদ্ধে কুৎসা, চিরকুট লিখে আত্মহত্যা

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৩৬ পিএম

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ৮ম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী মাইমুনা আক্তারকে (১৫) ইভটিজিং করার অভিযোগপ্রতিবেশী ওমর রাহিমের বিরুদ্ধে। এই অপমান সহ্য না পেরে আত্মহত্যা করেন ওই মাদ্রাসাছাত্রী। আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিযুক্ত মো. ওমর রাহিমকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুরের জমিদারহাট এলাকা থেকে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মোর্শেদ। 

তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে ওমর পলাতক ছিল। প্রাথমিকভাবে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামি ওমর রাহিমকে কমলনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ওমর রাহিম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়িনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরলরেন্স গ্রামের জাকের হোসেনের ছেলে। নিহত মাইমুনা আক্তার একই গ্রামের মেয়ে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার ওমর রাহিম বিভিন্ন সময় মাইমুনাকে উত্ত্যক্ত করতো। ঘটনাটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে ওমর রাহিম আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। একপর্যায়ে মাইমুনাকে নিয়ে ওমর এলাকায় বিভিন্ন কুৎসা রটায়। ২৩ অক্টোবর সকালে মেয়েকে বাসায় রেখে তার মা কেনাকাটার জন্য স্থানীয় করইতলা বাজারে যায়। এরমধ্যে মাইমুনা ঘরে গলায় ফাঁস দেয়। ওমরের কুৎসা রটানোর ঘটনা সহ্য করতে না পেরেই সে আত্মহত্যা করে। এর আগে তার মৃত্যুর জন্য ওমরকে দায়ীসহ বিচার দাবি করে চিরকুট লেখে গেছে মাইমুনা। পরে পুলিশ ওই চিরকুটটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় মাইমুনার মা বাদী হয়ে পরেরদিন কমলনগর থানায় ওমরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ১৮দিন পর ওমর রাহিমকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

 

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত