বোলারদের তোপ আর ঘূর্ণিতে শারজায় আফগানিস্তানকে ৬৮ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের ছুঁড়ে দেওয়া ২৫৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়ায় নেমে আফগানিস্তান ১৮৪ রানে গুটিয়ে যায়। যেখানে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তারপরও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন বাংলাদেশ অধিনায়ক ।
বাংলাদেশের ২৫০ পেরোনো সংগ্রহের পেছনে বড় অবদান ছিলো শান্তর ১১৯ বলে ৭৬ রানের লড়াকু ইনিংস। তবে ইনিংসটি নিয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বলেন, ‘এখন কিছুটা ভালো লাগছে, কিন্তু পুরোপুরি নয়। পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সত্যি বলতে আমি খুশি না, সম্ভবত আমার আরও কিছুক্ষণ ব্যাট করা উচিত ছিলো। উইকেট স্পিনারদের জন্য কঠিন ছিল।’
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৮৪ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন অভিষিক্ত জাকের আলি এবং দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা নাসুম আহমেদ। জাকের ২৭ বলে ৩৭ রান করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, নাসুমও ২৪ বলে ২৫ রান করে মোমেন্টাম বজায় রাখেন।
তাদের নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে শান্ত বলেন, ‘তারা শেষদিকে যেভাবে ব্যাট করেছে, আমরা সেখান থেকেই গতি পেয়েছি। আমি জাকের ও লোয়ার মিডল অর্ডার থেকে এটাই চাই।’
বল হাতে নাসুম ছিলেন দুর্দান্ত। ৮.৩ ওভারে ২৮ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনআপে চাপ সৃষ্টি করেন তিনি। আরেক স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ১০ ওভারে ৩৭ রানে ২ উইকেট শিকার করে তার সঙ্গ দেন।
শান্ত তাদের কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, ‘মিরাজ ও নাসুম যেভাবে বল করেছে, তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে। তাসকিন গুরবাজকে আউট করে আমাদের দারুণ শুরু এনে দিয়েছে। গুরবাজ তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার।’
এই জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে উজ্জীবিত হয়েছে, যা শেষ ম্যাচে জয়ের জন্য বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
আটলান্টার সঙ্গে আজ কি করবে মেসিরা
মাহমুদউল্লাহ ০, ১, ২, ৩