রাজশাহী কলেজ

ছাত্রলীগের বার্তা প্রচারের ঘটনা তদন্তে কমিটি

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৩৮ এএম

রাজশাহী কলেজের প্রশাসনিক ভবনের ডিজিটাল স্ক্রলিং বোর্ডে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বার্তা প্রচারের সূত্রপাত ও জড়িতদের শনাক্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। গত রবিবার রাতে কলেজের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে এদিন বিকেলে ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আবারও আসবে ভয়ংকর রূপে, সাবধান’ লেখাটি ভেসে ওঠে কলেজের ডিজিটাল বোর্ডে। মুহূর্তেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয় সমালোচনা। কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনেও অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

তদন্ত কমিটি সদস্যরা হলেন কমিটির প্রধান ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ড. আবদুল মতিন, ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বারিক মৃধা ও আইসিটি বিভাগের প্রভাষক আর এম ইমতিয়াজ আলম।

তদন্ত কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মু. যহুর আলী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। যে নাম ওই বোর্ডে দেখা গেছে সেই নামের একটি ফেসবুক আইডি আমরা পেয়েছি। তবে তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে তদন্ত কমিটিও কাজ শুরু করেছে। আমরা এরই মধ্যে বোয়ালিয়া থানায় একটি জিডিও করেছি। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি মেহেদি মাসুদ বলেন, রাজশাহী কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি জিডি করেছেন। সেটি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এর তদন্ত চলছে।

এদিকে রাজশাহী কলেজ প্রশাসনিক ভবনের ওই ঘটনার জেরে গতকাল সোমবার সকালে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জমায়েত হন। এ সময় তারা বিভিন্ন সেøাগানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে ঘোষণা দিয়ে তারা স্থান ত্যাগ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত