মুন্সীগঞ্জ সদরের আধারা ইউনিয়নের জাজিরা কুঞ্জনগর গ্রামে সামিয়া আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই গ্রামের বসতঘরের মেঝে থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী কামাল বেপারীর কাছে পাঠানো ১৫ লাখ টাকা নিয়ে দ্বন্ধের জের ধরেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন শ্বাসরোধ করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।
জানা যায়, ২ বছর আগে জেলা সদরের জাজিরা কুঞ্জনগর গ্রামের জমির বেপারীর ছেলে কামাল বেপারীর সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার চরকিশোরগঞ্জ মোল্লাপাড়া এলাকার আর্শেদ বেপারীর মেয়ে সামিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই স্বামী কামাল বেপারী মালয়েশিয়া পাড়ি জমান।
নিহতের বড় বোন শাকিলা আক্তার বলেন, বিয়ের পরপরই আমার বোন জামাই মালয়েশিয়া চলে যান। মালয়েশিয়া থাকা অবস্থায় বোন জামাইকে ঋণ করে ১৫ লাখ পাঠানো হয়। কথা ছিলো শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই টাকা পরিশোধ করে দিবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও সেই টাকা পরিশোধ করছেন না শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, ভাসুর ও নদদরা মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বসতঘরে ফেলে রেখে গেছে।
সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত সজিব দে জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বামী বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করেন। গৃহবধুর গলায় শক্ত রশির দাগের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কাল সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া