‘মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন কোনও একটি দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমুহের কৌশলগত বা সিস্টেমগত দুর্বলতা থাকায় অনেক সময় এনজিও সেক্টর থেকে পাওয়া বিদেশি অনুদানের অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যয়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা এ সেক্টরকে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকিতে ফেলে দেয়’।
আজ শনিবার রংপুর অঞ্চলে কার্যরত স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক কর্মশালায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফইইউ) উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কেয়ার বাংলাদেশ, কাতার চ্যারিটি ও ইএসডিও'র সহযোগিতায় রংপুরে আরডিআরএস'র অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইইউ'র পরিচালক মুহাম্মদ আনিছুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেয়ার বাংলাদেশের ডাইরেক্টর (হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন) ড. ইখতিয়ার উদ্দিন খন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, কাতার চ্যারিটির কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ আমিন হাফিজ আহমেদ ওমর ও ইএসডিও'র ফাইনান্স কন্ট্রোলার এবং হেড অফ কমপ্লাইয়্যান্স, মো. জিল্লুর রহমান। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কেয়ার বাংলাদেশের হেড অফ ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট খাদিজা মেহনাজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএফইউ'র পরিচালক মুহাম্মদ আনিছুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুসংবাদ পেয়েছে। বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে এনজিও সেক্টরের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের এনজিও সেক্টরও এই উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তিনি আরো বলেন, দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অসহায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষকে অর্থের প্রলোভনে খুব সহজেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করে থাকে। তাই যেসব এনজিও প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষদের নিয়ে কাজ করেন তাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে কবে।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মশালায় এনজিও সেক্টরেরর মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক ৬টি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এবং বিএফইইউ’র যুগ্মপরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল প্রধান, মো. জয়নুল আবেদীন, উপপরিচালক মো. ফয়সাল কবির ও কেয়ার বাংলাদেশের ক্যামেলকো খাদিজা মেহনাজ সেশনসমূহ পরিচালনা করেন।
অন্তরঙ্গ দৃশ্য না করার কারণেই ততটা পরিচিতি পাননি সোনাক্ষী!
বগুড়ায় একদিনে ২১ উইকেট নিলেন বোলাররা