দোকান উচ্ছেদের নামে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ডা. অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে কুড়িগ্রাম পৌর চাউল বাজারের ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে শতাধিক ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকগণের অংশ গ্রহণে কুড়িগ্রাম পৌর চাউল বাজারের মুল সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ব্যবসায়ীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৪০/৪৫ বছর হতে চাল দোকান মালিকগণ সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছি। গত ১৩ নভেম্বর যুগ্ম জজ আদালত-১ এর নাজির পরিচয়ধারী ব্যক্তি ও দেড় শতাধিক বহিরাগত লোকজন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে। কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়াই দোকানপাট ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে আমাদের উচ্ছেদ করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে ডা. অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীরের লোকজন নতুন স্থাপনা কাজ শুরু করে। অথচ বছরের পর বছর ওই জায়গা পৌরসভার কাছ থেকে লীজ নিয়ে আমরা ব্যবসা করে আসছি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর ডা. অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীর ওই জায়গার মালিকা দাবি করলেও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে পারে নাই। প্রকৃত পক্ষে তারা যদি মালিক হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়াই এমন সন্ত্রাসী ও লুটতরাজের মাধ্যমে আমাদেরকে উচ্ছেদ করার অপচেষ্টা অবৈধ। তাই এমন ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচার প্রার্থনা করি।
ব্যবসায়ী মো. আব্দুস সালাম বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এমন সন্ত্রাসী অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম পৌরসভা ও কুড়িগ্রাম থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো প্রকার আইনি সহায়তা পাইনি। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক ও এই জেলার বাসিন্দা হয়েও কারোর নিকট সহায়তা পাচ্ছি না। আমরা অসহায় ও নিরুপায় হয়ে পড়েছি। অবিলম্বে আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
ডা. অমিত কুমার বসু বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। জাহাঙ্গীর আমার কর্মচারী। তাকে সহযোগিতা করার কারণে আমার নামে মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে। যতদুর জানি পৈতৃক সূত্রে মালিক জাহাঙ্গীর। আর এ ব্যাপারে আদালতের রায় জাহাঙ্গীরের পক্ষে আছে।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আদালতের রায় ও বৈধ কাগজ সূত্রে আমি ওই জমির মালিক। অন্যায়ভাবে জমির মালিকানা দাবি করার কোনো ইখতিয়ার আমার নেই।
কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার বলেন, আমরা এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনা আদালতে মামলা চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুব মহিলা লীগ নেত্রীর স্বামী গ্রেপ্তার
অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ওবায়দুল কাদেরের সেই আত্মীয়
‘শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে ছাত্ররাজনীতির রোডম্যাপ তৈরি করবে ছাত্রদল’