বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদনের শুনানি আগামী মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর)। আদালত সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্রটি জানায়, গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ সাইফুল ইসলামের আদালতে সনাতন ধর্মীয় সংগঠনের এই নেতার জামিন শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন আইনজীবীদের আদালত বর্জন ও কর্মবিরতি কর্মসূচি পালিত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মফিজুর রহমান জানান, মহানগর দায়রা জজ মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে মঙ্গলবার এই জামিন শুনানি হবে। ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের এ মামলায় জামিন নাকচ করে চিন্ময় দাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম আদালত।
নগরের নিউমার্কেট মোড়ের স্বাধীনতা স্তম্ভে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাকে ওই দিন আদালতে হাজির করা হয়। চট্টগ্রাম ষষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরীফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন তাকে বহন করা প্রিজন ভ্যান দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখেন তার অনুসারীরা।
এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে অনুসারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় অনুসারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ অনুসারীরা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সাংবাদিকদের অন্তত ২০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। ঘটনার প্রতিবাদ করলে আইনজীবীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় চিন্ময় অনুসারীরা। এ সময় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামের এক আইনজীবীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে চিন্ময় অনুসারীরা।
এছাড়া পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয় অন্তত ২০জন। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বুধবার তিনটি, সবশেষ গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি এবং সাইফুলের ভাই ১১৬ জনকে আসামি করে পৃথক দুটিসহ মোট পাঁচটি মামলা দায়ের হয়। সাইফুল হত্যা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ৩৯জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ দেখে সাইফুল হত্যায় সরাসরি জড়িত ৯ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
মাত্র ১০ মিনিটে রামপুরা-বাড্ডা থেকে কারওয়ান বাজার!
বকেয়া বেতনের দাবিতে পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীদের সড়ক অবরোধ