জাতীয় লিগে রবিবার সেঞ্চুরি করেছেন রনি তালুকদার, ৪ উইকেট নিয়েছেন আবু হায়দার রনি। জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৫তম আসরের শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গেছে সিলেটের। শেষ ম্যাচে এসে রাজশাহীর বিপক্ষে খানিকটা কোণঠাসা চ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সিলেটের বিপক্ষে রাজশাহী এগিয়ে আছে ৮৪ রানে। বরিশালের বিপক্ষে ঢাকা’র লিড ১৪ রানের, ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে চট্টগ্রাম এগিয়ে আছে ৬৫ রানে।
রাজশাহীকে প্রথম ইনিংসে ২২৬ রানে অলআউট করার পর সিলেটের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২১২ রানে। পিনাক ঘোষ ৫৮ ও অধিনায়ক অমিত হাসান ৫৩ রান করলেও বাকিরা সুবিধা করতে পারেননি। শেষ ম্যাচে সিলেট অবশ্য নিয়মিত অনেক ক্রিকেটারকেই মাঠে নামায়নি, একাদশে ছিলেন না জাতীয় দলের পেসার খালেদ আহমেদ ও স্পিনার নাসুম আহমেদ। ছিলেন না পেসার রেজাউর রহমান রাজাও। রাজশাহীর নিহাদউজ্জামান নিয়েছেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭০ রান। হাবিবুর রহমান ২৮, মেহেরব হোসেন ৩২ ও ওয়াসি সিদ্দিক ২ রান করে আউট হয়েছেন। ব্যাট করছেন নিহাদউজ্জামান (১*) ও শাকির হোসেন শুভ্র (০*)। রাজশাহী এগিয়ে আছে ৮৪ রানে।
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ২৮৯ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল, জবাবে প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩০৩ রান। সেঞ্চুরি করেছেন রনি তালুকদার, আউট হয়েছেন ১১২ রান করে। দলীয় ২৬৬ রানে রনি আউট হওয়ার পর দুই টেল এন্ডার সুমন খান (৩৫*) ও এনামুল হক (২২*) মিলে দলের রানটা ৩০০ পার করিয়েছেন। ঢাকা লিড নিয়েছে ১৪ রানের।
খুলনা স্টেডিয়ামে প্রথম দিন বৃষ্টিতে মাত্র ২৫ ওভার খেলা হয়েছিল, দ্বিতীয় দিনেও পুরো দিনের খেলা মাঠে গড়ায়নি। দুই দিন মিলিয়ে মাত্র ৬৯ ওভার খেলা হয়েছে, তাতে রংপুরের বিপক্ষে খুলনার সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪০ রান। ৯০ রান করে আউট হয়ে গেছেন এনামুল হক বিজয়, ৮৯ রানে অপরাজিত মোহাম্মদ মিঠুন। ২ উইকেট করে নিয়েছেন আরিফুল হক ও নবীন ইসলাম।
চট্টগ্রাম রাজশাহী ম্যাচে দুই দলেরই প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছে। চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংসে ১৬০ রানে অলআউট হওয়ার পর ঢাকা মেট্রো ১০৮ রানের লিড নিয়ে অলআউট হয় ২৬৮ রানে। আইচ মোল্লা ৫৭ রান করলেও আরও বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান হাফসেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও অল্পের জন্য পারেননি। ৪ উইকেট আশরাফুল হাসানের। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আগের চেয়ে ভালো করেছে চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৭৩ রান। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেছেন সাজ্জাদুল হক রিপন। আবু হায়দার রনি নিয়েছেন ৪ উইকেট।
