হাইকোর্টে সবাই খালাস

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৩৩ এএম

বহুল আলোচিত ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন পাওয়া সব আসামিকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে এর আগে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় এবং মামলার অভিযোগপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। এর ফলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামি খালাস পেলেন। গতকাল রবিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

অধস্তন আদালতে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ১৯ জনের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ড অনুমোদন), যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ও কারাগারে থাকা আসামিদের আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানি শেষে গতকাল এ রায় হয়। বেলা ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত ৪৫ মিনিটের পঠিত রায়ে হাইকোর্ট বলে, এ মামলায় মুফতি হান্নানের (হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের অন্য মামলায় মৃত্যুদন্ডের সাজা কার্যকর) দ্বিতীয়বার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া ছিল বেআইনি।

ঘটনার ২০ বছর ও অধস্তন আদালতের রায়ের ছয় বছর পর দেশ-বিদেশে আলোচিত এ মামলাটির রায় ঘোষণা হলো। আলোচিত এ মামলার রায় শুনতে আদালতের কার্যক্রম শুরুর আগেই এজলাস পূর্ণ হয়ে যায়। এজলাসের বাইরে বিএনপি নেতাকর্মী ও আইনজীবীরা রায় শুনতে আসেন। খালাসের রায় শোনার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মী ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা উল্লাস প্রকাশ করেন। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এটি ছিল একটি রাজনৈতিক মামলা এবং তারা দীর্ঘদিন পর হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছেন। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এ

রায়ের বিরুদ্ধে আপিলসংক্রান্ত প্রশ্নে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘রায়ের কারণ দেখে ও নির্দেশনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপিল করা উচিত বলে মনে করি।’

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দলটির ২৪ জন নেতাকর্মী মারা যান। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ তিন শতাধিকের বেশি নেতাকর্মী আহত হন। এ মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেন। রায়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদ- এবং বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমান, বিএনপি নেতা শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়।

সর্বোচ্চ সাজা থেকে যারা খালাস পেলেন : অধস্তন আদালতের রায়ে মৃত্যুদ-ের সাজা হয় ১৯ জনের। তারা সবাই হাইকোর্টের রায়ে খালাস পেয়েছেন। তারা হলেন লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হুজির সাবেক আমির মাওলানা শেখ আবদুস সালাম (কারাগারে মৃত্যু), আবদুল মাজেদ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. উজ্জ্বল, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম (কারাগারে মৃত্যু), হানিফ পরিবহনের মালিক ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হানিফ। এর মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবরকে আরেকটি আলোচিত মামলা ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের একটি আদালত ফাঁসির রায় দিয়েছিল। এ মামলাটি ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর গত ৬ নভেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে।

যাবজ্জীবন সাজা থেকে যারা খালাস পেলেন : অধস্তন আদালতে যাবজ্জীবন সাজা হয় ১৯ জনের। তাদের সবাই হাইকোর্টের রায়ে খালাস পেয়েছেন। তারা হলেন তারেক রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (ইতিমধ্যে মারা গেছেন), বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হুজি সদস্য হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ (কারাগারে মৃত্যু), মাওলানা সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম মাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল ওরফে খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল ওরফে ইকবাল হোসেন, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল আহমেদ ওরফে রাতুল বাবু। এ ছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ে আলামত গোপনসহ বিভিন্ন অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আশরাফুল হুদা ও শহিদুল হকসহ বেশ কয়েকজন সেনা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দুই বছর থেকে তিন বছর মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলেন, হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে তারাও খালাস পেলেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় কে কী বললেন : এ মামলাটিতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম শাহজাহান ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরসহ কয়েকজন। অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান সাংবাদিকদের বলেন, ‘অপরাধের গভীরতা বা নৃশংসতা যতই হোক না কেন, আসামিকে যদি বিচারে আনতে হয় তাহলে তার সম্পৃক্ততা কী সেটা দেখতে হবে। ২১ আগস্টের এ ঘটনা হয়েছে, এ ঘটনার আমরা নিন্দা করি। কিন্তু এ মামলায় তদন্ত হয়েছে রাজনৈতিকভাবে। আদালত সব আসামিকে এমনকি যারা আপিল করতে পারেননি তাদেরও খালাস দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্ট তার রায়ে উল্লেখ করেছে কোনো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে অন্য আসামিকে সাজা দেওয়া যায় না। এভাবে মামলা প্রমাণ করা যায় না। এ মামলায় দ্বিতীয় অভিযোগপত্র ছিল অতিমাত্রায় বেআইনি। এ অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইন অনুসরণ করা হয়নি। তাছাড়া প্রথম অভিযোগপত্রটিও গ্রহণযোগ্য না, কারণ ওই অভিযোগপত্রটিও মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে, যা তিনি পরে প্রত্যাহার হরে নিয়েছিলেন। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট বাদ দিয়ে ২২৫ জন সাক্ষীর কেউই বলেননি যে, আসামি গ্রেনেড ছুড়েছে বা ছুড়তে দেখেছে। ফলে প্রকৃত খুনি কে, সেটি উঠে আসেনি।’ অ্যাডভোকেট শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতে বিচারটা হয়নি। তাই নিম্ন আদালতের বিচার অবৈধ বলা হয়েছে রায়ে।’ তিনি বলেন, ‘বিচারিক আদালতের বিচারটা অবৈধ বলা হয়েছে রায়ে। আইনের ভিত্তিতে বিচারটা হয়নি। কোনো সাক্ষীর সঙ্গে কোনো সাক্ষীর বক্তব্যে মিল নেই। শোনা সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে রায় দেওয়া হয়েছে।’

এ আইনজীবী বলেন, ‘এ মামলায় মুফতি হান্নান দ্বিতীয়বার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। এ স্বীকারোক্তি নেওয়া হয় নির্যাতন করে। এ স্বীকারোক্তি তিনি প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। ভারতীয় উপমহাদেশে ৪০০ বছরের ফৌজদারি ইতিহাসে দ্বিতীয় স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আর কোনো সাজা দেওয়ার নজির নেই।’ শিশির মনির বলেন, ‘নিম্ন আদালত আইনের ভিত্তিতে বিচারিক কার্যক্রম করেননি। আদালতে দেওয়া এক সাক্ষীর সঙ্গে অন্য সাক্ষীর সাক্ষ্যে কোনো সামঞ্জস্যতা নেই। এ ঘটনা পরস্পর দেখেছেন এমন কোনো সাক্ষ্য নেই।’ তিনি বলেন, ‘বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। সবাইকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ে নিম্ন আদালতের বিচারকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ছিল প্রতিশোধপরায়ণ। তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাকে ব্যবহার করেছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুটি। একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আরেকটি জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে বিদায় করা। চারটি অভিযোগপত্রের পর তাকে এ মামলায় এনে তাকে (তারেক রহমান) শেষ করতে চেয়েছিল। জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।’

যেভাবে মামলা ও বিচার শুরু : হামলার পরদিন মতিঝিল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। থানা পুলিশ, ডিবির হাত ঘুরে এ মামলার তদন্তভার পড়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ওপর। অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। হামলায় অংশ নেয় হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি) জঙ্গিরা। আর এ কাজে তারা বিদেশি জঙ্গিদের সহযোগিতা নেয়। হত্যার এ ষড়যন্ত্রের পেছনে তখনকার বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ইন্ধন ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে এ মামলার তদন্তকাজ পুনরায় শুরু হয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের জুনে বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন ও হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করে হত্যা বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দায়ের হয়। একই বছর ২৯ অক্টোবর ঢাকার একটি আদালতে এ অভিযোগপত্রের ওপর বিচারকাজ শুরু হয়। তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মামলাটিতে নতুন করে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ। ফলে এ মামলায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২ জনে। তবে আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী শাহেদুল ইসলাম বিপুলের অন্য মামলায় মৃত্যুদ- কার্যকর হওয়ায় আসামি হন ৪৯ জন। বিচারকালে তাদের মধ্যে চারজন আসামি বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।

২০১২ সালের ১৮ মার্চ সম্পূরক অভিযোগপত্রের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। দন্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুই মামলার বিচারকাজ চলে একসঙ্গে। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষী ছিলেন ৫১১ জন। তবে বিভিন্ন সময়ে ২২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। আর আসামিদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন ২০ জন।

২১ আগস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্সসহ মামলার যাবতীয় নথি ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে আসে। মামলায় মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ৪৪টি আপিল ২০১৯ সালের ১৩ জানুয়ারি শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট। মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে পেপারবুক (বিচারিক আদালতের রায়সহ যাবতীয় নথি) প্রস্তুত হয়। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি হলেও সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারকের অসুস্থতা ও বেঞ্চ পুনর্গঠনের কারণে দীর্ঘদিন শুনানি হয়নি। গত ৩১ অক্টোবর আবারও শুনানি শুরু ও শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত