৬ ম্যাচে মাত্র ৬ পয়েন্ট। এসি মিলান, লিভারপুলের কাছে হারে ২৪তম স্থানে নেমে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। আরেকটি ম্যাচ হারলেই শীর্ষ আট থেকে নকআউট খেলার সুযোগ থাকে না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা। তবে এমন অবস্থায় কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ভালো জানা নেই আর কোনো ক্লাবের! উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দুই হারের পর এবারও ঘুরে দাঁড়াল রিয়াল। ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তার বিপক্ষে জিতল ৩-২ গোলে।
রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি যতটা চেয়েছিলেন, রিয়াল ততটা ভালো হয়তো খেলেনি। কিন্তু ‘বিএমভি ত্রিফলা’ একসঙ্গে জ্বলে উঠলে আর কী লাগে! দলের গোল তিনটি যে করেছেন আক্রমণভাগের ত্রয়ী বেলিংহাম, এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস।
এই জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ২৪ থেকে ১৮ নম্বরে ওঠে লস ব্লাঙ্কোসরা। পরের ম্যাচ ঘরের মাঠে সালজবুর্গের সঙ্গে, এরপর ব্রেস্তে খেলতে যেতে হবে। দুটি ম্যাচ জিতলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি শেষ ১৬-তে খেলার সম্ভাবনা থাকবে রিয়ালের।
২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার গিউইস স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে দিতে খুব বেশি সময় লাগেনি রিয়ালের। ১০ মিনিটেই ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে মাদ্রিদের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি তার ৫০তম গোল। চার মিনিট পর এমবাপ্পের শট রুখে দেন আতালান্তার গোলকিপার। ৩৬ মিনিটে কাঁধে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এমবাপ্পে। তার বদলি নামেন চোট কাটিয়ে ফেরা আরেক ফরোয়ার্ড রদ্রিগো। বিরতির ঠিক আগে চুয়ামেনি নিজেদের বক্সে জিয়াদকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আতালান্তা। স্পট কিকে সমতা আনেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড ডে কেটেলার। ৫৬ মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগে দলকে ফের এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস। আতালান্তার খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে আসা বল বক্সে পেয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই গোলের দেখা পেলেন ভিনি। তিন মিনিট পরের গোলেও জড়িয়ে ভিনিসিয়ুসের নাম। তার বাড়ানো বল ধরে গোল করেন ফর্মে থাকা জুড বেলিংহ্যাম। ৬৫ মিনিটে আরেকটি গোল শোধ দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন আতালান্তার নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড লুকমান। তবে বাকি সময়ে আর গোল না হলে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।
