ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় মুয়াজ্জিনের ফতোয়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাতগাছী গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সে সময় ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ২৫ টি বাড়িঘর। এরপর বাড়িতে দেওয়া হয়েছে আগুন। সেসময় সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় ওই উপজেলার সাতগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- একই গ্রামের মোহাম্মাদ আলী, হাসেম আলী, কুরবান আলী,সাবদার হোসেন, করিম মন্ডল, বিশার আলী, হেকমত আলী, সোরাব হোসেন, তাহাজ উদ্দীন, শরাফত আলী, জকির হোসেন, তফছের আলী ও নেকবার হোসেনসহ ২০জন।
স্থানীয়রা জানায়, সাতগাছী গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলের সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানে গান বাজানো নিয়ে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজে ওই গ্রাামের মসজিদের মুয়াজ্জিন ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাকিম মোল্লা গান-বাজনা বাজানো হারাম বলে ফতোয়া দেওয়ার সময় কাশেম মোল্লা বাঁধা দেয়। সে সময় মসজিদের মধ্যেই দুটি গ্রুপের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। তার জের ধরে বিকেলে হাকিম মোল্লা ও কাশেম মোল্লার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর। সংঘষের্র সময় নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। এরই জের ধরে সকাল থেকে উভয় পক্ষের লোকজন আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ভাঙচুর করা হয় অন্তত ২৫ টি বাড়িঘর। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একটি বাড়িতে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করেছে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ খান জানান, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।
‘ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত’
ক্ষমতার দাম্ভিকতায় রাজত্ব শেষ বিএনপি নেতার 