তাবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।
আজ বুধবার দুপুরে পুরানা পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি হতাহতের ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাদের ইন্ধনে ঘটেছে এবং যারা সরাসরি হামলা চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা, নিহতদের ক্ষতিপূরণসহ আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
শায়েখে চরমোনাই বলেন, তাবলিগ জামায়াত বিশ্বের শান্তিপূর্ণ ও প্রেমময় ধারার একটি দাওয়াতি কাফেলা। মুসলমানকে সন্মান করা, মানুষের কল্যাণ কামনা করে বিনীত ও মাধুর্যময় ভাষায় দাওয়াত উপস্থাপন করার মাধ্যমে তাবলিগ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি কার্যক্রম হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে।
তিনি বলেন, মাওলানা সাদের কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামায়াতে দুটি ধারা তৈরি হয়েছে। যা দুঃখজনক হলেও একে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে পড়া উদ্বেগজনক এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে ২০২৫ এর ইজতেমাকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটছে তা কল্পনাতীত। ইসলামের দাওয়াতি মেজাজ, তাবলিগের ইতিহাস, চরিত্র বিবেচনায় এমন হানাহানি ও মৃত্যুর কথা চিন্তাও করা যায় না। অবাক বিস্ময়ে তাই আমাদের দেখতে হচ্ছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং তার করুণ প্রতিফল বিবেচনায় উম্মাহর যেকোনও সদস্যের ন্যায় আমরাও ব্যথিত ও কম্পিত।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এ্যাডভোকেট আতিয়ার রহমান, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান জাফরী, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান, সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সাধারণ সম্পাদক মুফতী রেজাউল করীম আবরার ও শ্রমিক আন্দোলন নেতা মাওলানা ওবায়েদ বিন মোস্তফা প্রমুখ।
রেস্তোরাঁয় ধূমপান, মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জরিমানা!
সাটুরিয়া উপজেলা চেয়াম্যানের অপসারণ আদেশ স্থগিত