সাদ মুসা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ মহসিন এবং ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএফএম শরীফুল ইসলামসহ ২৯ জনের নামে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে ৪৫৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় এ মামলা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে কোম্পানি খুলে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, জালিয়াতির মাধ্যমে ৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান চলছে। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন (প্রতিরোধ) গতকাল রবিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের তথ্যমতে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে বা অন্যদের লাভবান করতে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক সাদ মুসা হোমটেক্স অ্যান্ড ক্লথিং লিমিটেডের মালিক মোহাম্মদ মোহসিনকে ঋণের অর্থ অন্য কাজে ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ৪৫৯ কোটি ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করতে দেওয়ার ঘটনায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। শিগগিরই এ মামলা করা হবে।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন সাদ মুসা হোমটেক্স অ্যান্ড ক্লথিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোহসিন, সাউথ বাংলা ব্যাংকের এসইভিপি ও ম্যানেজার নিজাম আহমেদ, এসভিপি ও ম্যানেজার ইসতিয়াক হাসান, এসএভিপি এবং অপারেশন ম্যানেজার এএসএম হেলাল উদ্দিন, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবু বক্কর রাসেল, এসএভিপি মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী, এভিপি ও হিসাব ইনচার্জ মো. আখতার হোসেন, এভিপি ও আমদানি ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ নুরুন্নবী, এসএভিপি হাছিনা সুলতানা, প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ ফরিদ আহমেদ, ভিপি মোহাম্মদ আবু রাশেদ নোয়াব, ইভিপি ও ক্রেডিট কমিটির সদস্য অরুণ কুমার হালদার, এসইভিপি ও ক্রেডিট কমিটির সদস্য ইফতেখার হোসেন চৌধুরী, ডিএমডি ও ক্রেডিট কমিটির সদস্য এএসএম বুলবুল, সাবেক এএমডি ও ক্রেডিট কমিটির সদস্য মো. বদিউল আলম, ক্রেডিট কমিটির সদস্য চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএফএম শরীফুল ইসলাম, পরিচালক জাকারিয়া তাহের, মাবরুর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, খলিলুর রহমান, মো. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা, মোয়াজোশ হোসেন, মনোয়ারা শিকদার, পারভীন হক শিকদার, রিক হক সিকদার, রণ হক শিকদার এবং একেএম এনামুল হক শামীম।
