মাদারীপুরের সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ‘পুত্রবধূ ও শ^শুর-শাশুড়ির ঐকান্তিক অনবদ্য ও চিরায়ত সম্পর্কের বন্ধন’ স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমধর্মী এই সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘পাশে আছি মাদারীপুর’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এতে সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়। এই সম্মাননা পুরস্কার পেয়ে আনন্দিত পুত্রবধূরা। আয়োজকদের দাবি, পারিবারিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে এই ব্যতিক্রম ধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে সমন্বিত সরকারি অফিস ভবনের জেলা শিশু একাডেমির হল রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সেরা ১২ পুত্রবধূরা হলেন সাংবাদিক আয়শা সিদ্দিকা আকাশী, মরিয়ম অহিদ, রাবেয়া আক্তার মুক্তা, রিমা, সুরাইয়া আক্তার, সামসুন নাহার, আরিফা আফরোজ অন্তরা, সুলতানা রাজিয়া, মিসেস ফারজানা, আছমা খাতুন, সাবিকুন্নাহার আক্তার ও লাবণী আক্তার আশা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক লুৎফর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম মুন্সী, আবৃত্তি সংগঠন মাত্রার সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন লিটন, নিরাপদ চিকিৎসা চাই-এর মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি মশিউর রহমান পারভেজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘পাশে আছি মাদারীপুর’-এর প্রতিষ্ঠাতা বায়জীদ মিয়া।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও এ অনুষ্ঠানের আয়োজক বায়জীদ মিয়া বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের সমাজে পরিবারগুলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। আবহমান বাংলার যে ঐতিহ্য একান্নবর্তী পরিবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই এই বিশেষ সম্মাননা পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই কমিটি মাদারীপুরের ২৩ পুত্রবধূর মধ্যে থেকে সেরা ১২ পুত্রবধূকে মনোনীত করা হয়। আজ (গতকাল) এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।’
সেরা পুত্রবধূ লাবণী আক্তার আশা বলেন, ‘এই সম্মাননা স্মারক পেয়ে আনন্দিত আমরা। আগামীতে আমরা শ^শুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবার প্রতি আরও যতœবান হব। এই পুরস্কার প্রাপ্তি দেখে সমাজের অন্য গৃহবধূরাও অনুপ্রাণিত হবেন বলে আশা করছি।’
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তারুণ্য পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সোহাগ হাসান বলেন, ‘মাদারীপুরে এই সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা পেতে দেখে অন্য পুত্রবধূ ও শ^শুর-শাশুড়িরাও অনুপ্রাণিত হবেন। তাই এই ব্যতিক্রম আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই।’
