অবশেষে মায়ার্সের ব্যাটে রান

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:০০ এএম

তামিম ইকবাল দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে বলেছিলেন, বিপিএলে বাউন্ডারির সীমানা বড় করতে। এবার অবশ্য তার দলের কাইল মায়ার্স যেসব ছয় মারলেন সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে, তাতে বাউন্ডারি বাড়িয়ে দিলেও সেটা ছয়ই হতো। এই আসরে কালকের ম্যাচের আগ পর্যন্ত কাইল মায়ার্স ছিলেন ভেজা বারুদ, জ্বলে উঠলেন সিলেটে। তাতেই পুড়ল সিলেট স্ট্রাইকার্সের জয়ের স্বপ্ন। ৫৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে ফরচুন বরিশাল, চার ম্যাচে তাদের তৃতীয় জয়। অন্যদিকে সিলেট করেছে হারের হ্যাটট্রিক।

সিলেট টসে হেরে আগে ব্যাট করে অলআউট হয় মাত্র ১২৫ রানে। প্রথম ওভারেই শূন্য রানে রনি তালুকদারের বিদায়ের পর রাকিম কর্নওয়াল (১৮) এবং জাকির হাসান (২৫) ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু বড় হয়নি তাদের ইনিংস। জর্জ মানসেও ২৮ রানে বিদায় নেন। এরপর অ্যারন জোনস ০ এবং জাকের আলি অনিক ১ রানে আউট হয়ে গেলে সেই যে বিপদে পড়ে সিলেট, তার থেকে আর পরিত্রাণ মেলেনি। শেষ দিকে অধিনায়ক আরিফুল ২৯ বলে ৩৬ রান করে মান বাঁচান সিলেটের, তার ব্যাটেই সিলেটের দলীয় রান ১০০ ছাড়ায়। সিলেটের ইনিংসের মাঝপথে বুলডোজার চালিয়েছেন দুই স্পিনার, লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন আর বামহাতি স্পিনার জাহানদাদ খান। প্রত্যেকেই নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। তাতেই ১৮.২ ওভারে মাত্র ১২৫ রানে অলআউট সিলেট স্ট্রাইকার্স।

১২৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে শুরুতেই উইকেট হারায় বরিশাল। ইনিংসের একদম প্রথম বলে রাকিম কর্নওয়ালের স্পিনে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ০ রানে আউট হয়ে যান তামিম ইকবাল। পরের ওভারে তানজিম হাসান সাকিব আউট করেন নাজমুল হোসেন শান্তকেও। তবে এরপর মেয়ার্স আর তাওহীদ হৃদয় মিলে সিলেটের বোলিংকে একদম পাত্তা দেননি। বিশেষ করে মায়ার্স। ৪টা ছক্কা আর ৫টা বাউন্ডারি মেরেছেন এই ক্যারিবিয়ান। ৬, ১৩ এবং ২৪-এর পর কাল তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩১ বলে ৫৯* রানের ইনিংস। হাফসেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও পাননি তাওহীদ হৃদয়। ২৭ বলে ৪৮ রান করে জয়ের ঠিক আগমুহূর্তে আউট হয়ে যান। তৃতীয় উইকেটে মায়ার্স আর হৃদয়ের ১১৮ রানের জুটিতেই ম্যাচটা বের করে নিয়েছে বরিশাল। হৃদয় আউট হওয়ার পর জাহানদাদ নেমে এক বলেই বাউন্ডারি মেরে শেষ করেছেন জয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত