ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে থাকা এক আন্তর্জাতিক তারকাকে অনুশীলন থেকে সরাসরি তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ১১টার দিকে সাদাপোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে নিয়ে যান। এরপর প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্যা সান-এর বরাতে জানা গেছে, ওই ফুটবলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্কের গোপন ভিডিও ধারণ করার। তবে তদন্ত শেষে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি এখানেই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
ঘটনার দিন, সতীর্থরা প্রথমে মনে করেছিলেন এটি কোনো ধরনের মজার ঘটনা। তবে দ্রুতই বুঝতে পারেন, এটি একেবারে সত্যি এবং গুরুতর বিষয়। পুলিশ সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ফুটবলারকে আটক করেছিল। তদন্তের সময় তার দুটি ফোনের ভিডিও এবং ফুটেজও পরীক্ষা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত শেষে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় সেই ফুটবলারকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরে তিনি আবার দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন।
এক নারী অভিযোগ করেছিলেন, ওই ফুটবলার নিষেধ করার পরও গোপনে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেছিলেন। অভিযোগকারী নারী জানান, তাদের একসঙ্গে সময় কাটানোর পর ফুটবলার তাকে চলে যেতে বলেন, যা তাকে ‘আক্রান্ত ও অপমানিত’ বোধ করায়। তবে ফুটবলারকে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ না থাকায় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়।
প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী, এমন ঘটনায় ফুটবলারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে তার বয়স ২০ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার আপাত সমাপ্তি ঘটলেও এই অভিযোগ নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অভিযোগকারী নারী জানিয়েছেন, তিনি নিজের সঙ্গে হওয়া ঘটনাকে এখনো মেনে নিতে পারছেন না। এই ঘটনা প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের আচরণ এবং গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে। তবে আপাতত অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়ায় ফুটবলারটি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।
উইন্ডিজ সিরিজে নেই আফ্রিদি, ফিরলেন সাজিদ-আবরার
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দল: কে পূরণ করবেন শেষ স্থান?