শুটিং ফ্লোরে তারকাদের দেরি করে আসা এখনকার সময়ে খুব বড় ব্যাপার নয়। এমন অনেক সময়ই হয় পুরো ফ্লোর অপেক্ষায় রয়েছে কিন্তু এদিকে নায়ক নায়িকারা নির্ধারিত সময়ের অনেকক্ষণ পরে এসে পৌঁছাচ্ছেন শুটিংয়ে। কিন্তু আগেকার সময়ে এমনটা কোনও পরিচালক মেনে নিতে পারতেন না। তার মাশুল দিতে হয়েছিল মহানায়ক উত্তমকুমারকেও।
উত্তমকুমার, যিনি বহু মানুষের অনুপ্রেরণা। তখন তার ঝুলিতে একের পর এক হিট সিনেমা। কিন্তু মাত্র কয়েক মিনিট দেরি করার জন্য তাকে শুটিং ফ্লোর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেই ছবি থেকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল নায়ককে।
সুপারস্টারের সঙ্গেও এমনটা হতে পারে? এটা কেউ হয়তো ভাবতেই পারবেন না। কিন্তু এমনটাই ঘটেছিল।
তখন শিল্পী সংসদের সভাপতি উত্তম কুমার। সম্পাদক ছিলেন অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায়। তিনি যেমন এক দিকে অভিনেতা ছিলেন সেই সঙ্গে ছিলেন পরিচালক এবং প্রযোজকও। সে সময় ‘ঢুলি’ ছবিটি তৈরি করছিলেন তিনি। যে ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল উত্তম কুমারের। কথা মতো সব কিছুই তৈরি ছিল। শুটিং শুরু হবে। কল টাইমের পাঁচ মিনিট পর শুটিং ফ্লোরে পৌঁছান মহানায়ক। ব্যস তাতেই ভয়ঙ্কর কাণ্ড।
নায়ককে সটান বাদ দিয়ে দেন পরিচালক অর্ধেন্দু। তার পরিবর্তে অভিনয় করেছিলেন প্রশান্ত কুমার। যদিও এই প্রথম নয়, আগেও একবার এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল নাকি। শুটিংয়ে আসতে দেরি করেছিলেন নায়ক। রেগে ফ্লোর ছেড়ে বেরিয়ে যান সুচিত্রা সেন। তবে সিনেমা থেকে বাদ পড়ার কারণে, অর্ধেন্দু-উত্তমের সম্পর্কে প্রভাব পড়েছিল এমনটা শোনা যায় নি।
পেট চালাতে পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন ঐশ্বরিয়ার নায়ক