ভাত খেয়েও কমান ওজন, জানুন সঠিক নিয়ম

  • ওজন কমাতে গিয়ে একদম ভাত খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়
  • ওজন কমাতে হলে রাতে কম এবং দিনে পরিমিত পরিমাণে ভাত খেতে হবে
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৩৬ পিএম

কথায় আছে বাঙালির ভাত ছাড়া চলেই না। কিন্তু বর্তমানে স্বাস্থ্যও সচেতন অনেকেই প্রিয় হলেও ভাত থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন। খুব বেশি হলে এক বেলা ভাত খাচ্ছেন। দিনে একাধিক বার ভাত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু ওজন কমাতে গিয়ে একদম ভাত খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া মোটেও ঠিক নয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, ভাত হলো কার্বোহাইড্রেটের মূল উৎস। এই খাবারের মাধ্যমে দেহে কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায়। অল্প পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলও রয়েছে। 

সাধারণত আমরা ওজন কমানোর শুরুটা করি ভাত খাওয়া বন্ধ করে। তবে অনেকেই আছেন ভাত খাওয়া ছাড়তে পারেন না। আর যদিও ছাড়েন তখন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ভাতকে শত্রু ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। যখন প্রশ্ন ওজন কমানোর তখন সঠিক সময়ে ও সঠিক উপায়ে ভাত খাওয়া দরকার। 

চলতুন জেনে নেই ভাত খেয়েও কিভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 

ভাত খাওয়ার সঠিক সময়

ভাত খাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে অভ্যাসের কারণে বাঙালিরা বেশিরভাগ দুপুরবেলাই ভাত খায়। দিনের অনেকটা সময় পাওয়া যায় খাবার হজম হওয়ার জন্য এবং ক্যালোরি পোড়ানোর জন্য। তাই রাতে কম এবং দিনে পরিমিত পরিমাণে ভাত খাওয়া প্রয়োজন।  

সঠিক পরিমাণ

মেপে খাবার খাওয়া ভীষণ জরুরি। খেতে ভালোবাসেন বলে, এক থালা ভাত খেয়ে ফেলবেন, এই ভুল একদম করবেন না। পরিমাণ বুঝে খাবার খান এতে শরীরের ওজন ভালো রাখতে সাহায্য করবে। 

সেদ্ধ চালের ভাত

সেদ্ধ চালের ভাতই সবচেয়ে বেশি উপকারী। তবে, ফ্রায়েড রাইস খেলেও কিন্তু ওজন বেড়ে যেতে পারে। সেদ্ধ চালের ভাত খেলে পেটও ভরবে, কাজ করারও এনার্জি পাবেন এবং শরীরও ঠিক থাকবে। সেদ্ধ চালের ভাতে থাকা স্টার্চ ভাতের অতিরিক্ত পানির সঙ্গে বেরিয়ে যায়। 

ব্যালেন্স ডায়েট

সেদ্ধ চালের ভাতের সঙ্গে ডাল, সবজির তরকারি, মাছ-মাংস, ডিম সবই খেতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখুন, ভাতের পরিমাণ যেন কম হয় এবং সবজি ও ডালের পরিমাণ বেশি। ডাল, সবজিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার থাকে। এগুলো ওজন কমানোর পাশাপাশি দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণের জন্যও অপরিহার্য। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত