জিয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খেলা উপভোগের পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি। বিশেষ করে খেলোয়াড় থাকাকালেই ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে আসা ও বিতর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন ফখরুল।
খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খেলাধুলা ও রাজনীতি দুটি আলাদা বিষয়। তাদের ক্যারিয়ার শেষে যেকেউ রাজনীতিতে আসতে পারেন। এটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।’
সাকিবের সাম্প্রতিক দেশে আসতে না পারা এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ এটা আমার বিষয় না।’
১৯৯১ সালে একবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রিকেটের প্রতি তার ভালোবাসা বহু পুরোনো।
মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্য ক্রিকেট এবং রাজনীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাকিব আল হাসানের মতো একজন আন্তর্জাতিক তারকার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা চলছে। তবে ফখরুলের মতে, রাজনীতিতে আসা প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
জিয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনালে তার উপস্থিতি এবং ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
সাজিদ খান হাসলেও 'মানুষ ভয় পেয়ে যায়'
টিকটক বন্ধ হওয়ায় মন খারাপ কোকো গফের