ঢাকার সব সরকারি হাসপাতালের রেডিওথেরাপি মেশিন নষ্ট

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:২৬ পিএম

এই মুহূর্তে ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসায় ঢাকায় কোনো সরকারি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন চালু নেই। মাত্র তিনটি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি-সংবলিত ক্যানসার সেন্টার

থাকলেও সেগুলোর সব মেশিন অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। ঢাকার বাইরে মাত্র দুটি সরকারি হাসপাতালে দুটি মেশিন চালু রয়েছে। অর্থাৎ সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে বর্তমানে মাত্র দুটি রেডিওথেরাপি মেশিন চালু রয়েছে।

বিশেষ করে দেশের একমাত্র বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেরও সবগুলো রেডিওথেরাপি মেশিন অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। এমনকি সারা দেশে সরকারি রেডিওথেরাপি-সংবলিত ক্যানসার সেন্টার রয়েছে মাত্র সাতটি প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে ঢাকায় তিনটি ও ঢাকার বাইরে চারটি।

এই সুযোগে রেডিওথেরাপি চিকিৎসা এখন পুরোটায় বেসরকারি হাসপাতালের দখলে। বেসরকারি ১২টি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি-সংবলিত সেন্টার রয়েছে। এসব সেন্টারে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে ২১টি। সরকারি পর্যায়ে রেডিওথেরাপি চিকিৎসার এই চিত্রকে হতাশাজনক বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

এ ব্যাপারে জাতীয় ক্যানসার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দেশে যত ক্যানসার রোগী আছে, তার ৭০ শতাংশের রেডিও থেরাপি চিকিৎসা লাগে। প্রতিবছর নতুন করে দেড় লাখের বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ রেডিওথেরাপি-সংবলিত ক্যানসার সেন্টার আছে মাত্র ২২টির মতো। কিন্তু সেসব সেন্টারে রেডিওথেরাপি মেশিন আছে খুবই কম। আমরা এখনো ক্যানসার রোগীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে পারিনি। মেশিন ও জনবলের সংকট আছে।’

ঢাকায় সরকারি সব রেডিওথেরাপি মেশিন নষ্ট : চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকায় মাত্র তিনটি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি-সংবলিত ক্যানসার সেন্টার আছে। এগুলো হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও জাতীয় ক্যানসার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট। এসব সেন্টারে একসময় রেডিওথেরাপি মেশিন ছিল ৯টি। কিন্তু সেগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে এখন ঢাকার সরকারি পর্যায়ে কোনো রেডিওথেরাপি চিকিৎসা চলছে না।

ঢাকার বাইরে দুটি : চিকিৎকরা জানান, ঢাকার বাইরে চার জেলায় চারটি রেডিওথেরাপি-সংবলিত ক্যানসার সেন্টার আছে। এর মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিওথেরাপি মেশিন এক মাস ধরে নষ্ট। বগুড়া মেডিকেল কলেজেরও মেশিনও নষ্ট। চালু আছে শুধু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেশিন। ঢাকার বাইরে আর কোথাও কোনো সরকারি পর্যায়ে ক্যানসার চিকিৎসা ও রেডিওথেরাপি মেশিন নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সরকারি হাসপাতালের একজন ক্যানসার রোগবিশেষজ্ঞ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকা শহরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে কোনো রেডিওথেরাপি মেশিন নেই। সব কটি সরকারি হাসপাতালের মেশিনই অকেজো। এই তিন হাসপাতালে শুধু একটি করে ‘ব্রাকিথেরাপি’ মেশিন চালু আছে। এটি বিশেষ ধরনের রেডিওথেরাপি মেশিন, যা দিয়ে গাইনোকোলজিক্যাল ক্যানসারে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া বাকিগুলো বন্ধ আছে।

এর বাইরে সরকারি পর্যায়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ও সাভার গণকবাড়িতে আণবিক শক্তি কমিশনের একটি করে রেডিওথেরাপি মেশিন চালু আছে। তবে এ দুটি কেন্দ্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে না। সিএমএইচ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও আণবিক শক্তি কমিশন বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সে হিসেবে বর্তমানে ঢাকায় সরকারি কোনো রেডিওথেরাপি চালু নেই।

এই চিকিৎসক আরও বলেন, রেডিওথেরাপি দুই ধরনের হয়। টেলিথেরাপি ও ব্রাকিথেরাপি। টেলিথেরাপি বেশি লাগে, সেটাই নেই। ব্রাকিথেরাপি অল্প লাগে। সেটা তিনটি আছে। সে হিসেবে রেডিওথেরাপির সব মেশিন অকেজো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, ঢামেক হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন তিনটি। দুটি টেলিথেরাপি ও একটি ব্রাকিথেরাপির মেশিন। এর মধ্যে টেলিথেরাপির লিনাক মেশিন নষ্ট ২০১৯ সাল থেকে। স্থাপিত হয়েছে ২০০৮ সালে। সে হিসেবে ১১ বছর পর নষ্ট হয়েছে। পরে আর নতুন মেশিন আসেনি বা সেটিও মেরামত করা যায়নি। কোবাল্ট মেশিন স্থাপন করা হয় ২০১৮ সালে। সেটি নষ্ট হয়ে যায় গত বছরের মে মাসে। এটিও আর মেরামত করা সম্ভব হয়নি। এখন শুধু ব্রাকিথেরাপি মেশিন চালু আছে।

এ ছাড়া বিএসএমএমইউতে একটি কোবাল্ট মেশিন। সেটি এক মাসের বেশি সময় ধরে নষ্ট। সিলেটে একটি কোবাল্ট মেশিন। সেটাও এক মাস ধরে নষ্ট।

ক্যানসার চিকিৎসায় উল্টো পথে দেশ : ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যানসার বিভাগ (রেডিওথেরাপি বিভাগ) ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট ডা. নাজিরুম মুবিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ক্যানসার চিকিৎসায় বাংলাদেশ উল্টো রথের যাত্রী হয়ে গেছে। ২০০৮, ২০০৯, ২০১০ সালে ঢামেক হাসপাতালে লিনাক মেশিন চালু ছিল। থ্রি ডাইমেনশাল রেডিওথেরাপি দেওয়া যেত। ২০২৫ সালে এসে সেই হাসপাতালে কোনো মেশিনই নেই। ফলে সরকারি হাসপাতালগুলোর ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বিগত ১০-১৫ বছরে কমতে কমতে এখন নিঃশেষ হয়ে গেছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু সেগুলোতে অন্যান্য রোগের মতো ক্যানসার চিকিৎসাও ব্যয়বহুল। ফলে রোগীরা আসলে চিকিৎসায় পাচ্ছে না। বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে। এটা খুব খারাপ বাস্তবতা।

এই চিকিৎসক বলেন, ‘১০ বছর আগে যে চিকিৎসা দিতে পারতাম, এখন আরও বেশি দেওয়ার কথা। উল্টো আরও কমে গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যাপ্ত আছে। আমি ঢামেক হাসপাতালে রোগীদের রেডিওথেরাপি চিকিৎসা দিতে পারছি না। কিন্তু আমার যে রোগীর বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় ব্যয় বহন করতে পারে, তাদের বাইরে চিকিৎসা দিচ্ছি।’

এই চিকিৎসক বলেন, ‘অনেকে মনে করে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার লোভে সরকারি মেশিন নষ্ট করে রাখা হয়। এটি সর্বৈব ভুল ধারণা। সরকার আমাকে ঢামেক হাসপাতালে একটি মেশিন দিক, আমি সেখানেও রেডিওথেরাপি দেব। বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করে। নষ্ট হয়ে গেলে তারা ২৪-৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক করে দেয়। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে ঠিক হয় না। কারণ চুক্তিপত্র মানা হয় না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানেই লিনাক মেশিন কেনা হয়নি। কিনেছে কোবাল্ট মেশিন। সেগুলো খুবই নিম্নমানের। এগুলো আমরা ব্যবহার করতাম ১৯৯৩-৯৪ সালে। নতুন মেশিন আমাদের হাতে দেওয়া হয়নি। আবার যেসব কোবাল্ট মেশিন কেনা হয়েছে, সেগুলোও কেনা হয়েছে লিনাক মেশিনের চেয়ে দ্বিগুণ দামে।’

বেসরকারি ২১ রেডিওথেরাপি মেশিন : চিকিৎসকরা জানান, বেসরকারি ২১টি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে পাঁচটি ঢাকার বাইরে। এর মধ্যে সিলেটের নর্থইস্ট হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতাল ও বগুড়া টিএমএমএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি করে এবং সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে।

বাকি ১৬টি মেশিন ঢাকায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেলটা হাসপাতালে, পাঁচটি মেশিন। আহছানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতালে চারটি, ল্যাবএইডে তিনটি, এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি, এভারকেয়ার হাসপাতালে একটি, ইউনাইটেড হাসপাতালে একটি ও স্কয়ার হাসপাতালে একটি করে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে।

ডা. নাজিরুম মুবিন বলেন, রেডিওথেরাপি মেশিনের দাম বেশি। একটি লিনাক মেশিন কেনা ও স্থাপন মিলে মোট ব্যয় হয় কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা।

সব বিভাগে ক্যানসার সেন্টারের পরিকল্পনা : জাতীয় ক্যানসার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের দুটি নতুন মেশিন এসেছে। একটি দু-এক দিনের মধ্যেই চালু হবে, আরেকটি মার্চে চালু হবে। বাকি যে মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে, সেগুলো এখনো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ এখনো এখানে রেডিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এই চিকিৎসক কর্মকর্তা বলেন, সরকার আট বিভাগে আটটি ক্যানসার সেন্টার চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালে সাতটি মেশিন বসানোর সক্ষমতা আছে। আর বাকি আট বিভাগে তিনটি করে ২৪ মেশিন যদি চালু হয়, তাহলে রোগীদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।

দরকার ১৮০ সেন্টার, আছে ২০টির মতো : জাতীয় ক্যানসার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোয়াররফ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য একটি ক্যানসার সেন্টার দরকার। সে হিসেবে দেশে ১৮ কোটি মানুষের জন্য সেন্টার লাগবে ১৮০টি। আমাদের সেন্টার আছে ২০-২২টির মতো। এটা খুবই অপ্রতুল।’

এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লাখ ৫৫ হাজারের মতো নতুন ক্যানসার রোগী পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিবছর ১ লাখ ৯ হাজারের মতো রোগী মারা যাচ্ছে। তবে রোগী ও মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘ক্যানসার চিকিৎসার সবকিছুই বাংলাদেশে আছে। মূল চিকিৎসা সার্জারি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি। এর মধ্যে সার্জারি ও কেমোথেরাপি চিকিৎসা চলছে। কিন্তু মূল সমস্যা রেডিওথেরাপি চিকিৎসায়। একটি রেডিওথেরাপি মেশিনের মেয়াদ ১০ বছর। আমাদের সবগুলো মেশিন পুরনো হয়ে গেছে, অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। সেগুলো আর মেরামত হয়নি, নতুন কোনো মেশিনও আনা হয়নি। অথচ মোট ক্যানসার রোগীর ৬০ শতাংশেরই জীবনের শেষপর্যায়ে রেডিওথেরাপি চিকিৎসা দরকার হয়।

আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস : প্রতিবছর এই দিনে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। দেশে বিভিন্ন সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছে। এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য মারাত্মক ও প্রাণঘাতী এই কর্কট রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা।

দিবসটি উপলক্ষে গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ওয়ার্ল্ড ক্যানসার সোসাইটি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ক্যানসার ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম যৌথভাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। বছরে এই রোগে মারা যায় প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অব ক্যানসার (আইএআরসি) প্রকাশিত হিসেবে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। তাদের বাঁচাতে বাংলাদেশের ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা ৯ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে সর্বশেষ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ এবং সমস্যা উত্তরণে করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। তিনি বলেন, ‘কোনো দেশে জাতীয় ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও এর কার্যকারিতা নিরূপণের জন্য ক্যানসার নিবন্ধন অপরিহার্য। ক্যানসার নিয়ে আমাদের নিজস্ব গ্রহণযোগ্য জাতীয় নিবন্ধন বা জরিপ নেই।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত