নারায়ণগঞ্জে মামুন হত্যা

বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভের পর মামলা নিল পুলিশ

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:২১ এএম

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন হোসাইনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে যুবলীগ নেতা আক্তার, সুমনসহ ১৩ জনের নামে মামলার আবেদন করেন নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার। তবে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম যুবলীগ নেতা আক্তারের নাম বাদ দিয়ে আবেদন করার জন্য নিহতের স্ত্রীকে অনুরোধ করেন। ওসির অনুরোধ না রাখায় গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত নিহতের স্ত্রীকে থানায় বসিয়ে রাখেন ওসি। বিষয়টি জানতে পেরে বিএনপির নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে ওসিকে মামলা নিতে বাধ্য করেন।

এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, আক্তার ও সুমনের পরিকল্পনায় এবং নির্দেশে তাদের বাহিনীর কিলাররা মামুনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে ডান চোখে গুলি করে হত্যা করেছে। 

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের স্ত্রীর দেওয়া মামলার আবেদনে প্রধান আসামি করা হয়েছে আক্তার হোসেনকে। তার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি হত্যাকা- ঘটনার আগেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তবে তার ছোট ভাই সুমন দেশেই আত্মগোপনে রয়েছেন। এজন্য নিহতের স্ত্রীকে বলা হয়েছিল যে দেশের বাইরে যে রয়েছে তিনি হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকতে পারেন না। তার নাম দেওয়া হলে মামলাটি দুর্বল হয়ে যাবে। এজন্য আক্তারের নাম বাদ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত