ইংলিশ ফুটবলে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি (এসএওটি) ব্যবহারের পথে আরেক ধাপ অগ্রগতি হলো। আগামী মাসে এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে পরীক্ষামূলকভাবে প্রযুক্তিটি চালু হতে যাচ্ছে, যা সফল হলে চলতি মৌসুমেই প্রিমিয়ার লিগেও এটি দেখা যেতে পারে।
ইতোমধ্যে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ব্যবহার হওয়া এসএওটি দ্রুত ও নির্ভুল অফসাইড সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তবে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ গত বছর এটি চালুর পরিকল্পনা করেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছিল। কারণ, স্টেডিয়ামে পরীক্ষার সময় প্রযুক্তিটির নির্ভুলতা নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক পরীক্ষায় ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে, এবং প্রফেশনাল গেম ম্যাচ অফিসিয়ালস লিমিটেডের (পিজিএমওএল) প্রধান হাওয়ার্ড ওয়েব ও প্রিমিয়ার লিগের ফুটবল প্রধান টনি স্কোলস প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন।
এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডের আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটি অনুষ্ঠিত হবে প্রিমিয়ার লিগের স্টেডিয়ামে, যা প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য আদর্শ পরিবেশ দেবে। বাকি একটি ম্যাচ হবে চ্যাম্পিয়নশিপ ক্লাব প্রেস্টনের মাঠে। ট্রায়ালের ফল ইতিবাচক হলে, শিগগিরই প্রিমিয়ার লিগেও এসএওটি চালু হতে পারে।
এই প্রযুক্তি ক্যামেরা ফুটেজ ও ট্র্যাকিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থান চিহ্নিত করে অফসাইড নির্ধারণ করবে। ফলে আগের মতো ভিএআর রেফারিদের হাতে-কলমে লাইন আঁকার প্রয়োজন পড়বে না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ৩০ সেকেন্ডেরও বেশি সাশ্রয় করবে। তবে গোলের ক্ষেত্রে কিছু জটিল পরিস্থিতিতে এখনও ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারে।
প্রিমিয়ার লিগের সব ক্লাবই গত বছরের এপ্রিলে সর্বসম্মতিক্রমে প্রযুক্তিটি চালুর পক্ষে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষামূলক ব্যবহারে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এটি চালু হতে বিলম্ব হয়। তবে সাম্প্রতিক উন্নতির পর স্কোলস আত্মবিশ্বাসী যে, এবার তারা সবচেয়ে নির্ভুল ও কার্যকর প্রযুক্তিই পেতে যাচ্ছে।
এফএ কাপের ট্রায়ালে ইতিবাচক ফল এলে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রিমিয়ার লিগে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি চালু হতে পারে।
আর্থিক সংকট কাটাতে ২০০ কর্মী ছাটাই করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
শেষ মুহূর্তে মাইদার গোলে বেঁচে রইলো সেল্টিকের আশা, জিতলো বায়ার্ন