বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার ডোপ পরীক্ষায় দুইবার পজিটিভ হওয়ার ঘটনায় তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। ২৩ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান খেলোয়াড় ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (ওয়াডা) সঙ্গে সমঝোতায় এসে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছেন।
গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ী সিনার আগামী ১৯ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া ফ্রেঞ্চ ওপেন খেলতে পারবেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞার ফলে তিনি ইন্ডিয়ান ওয়েলস ও মায়ামির মতো মর্যাদাপূর্ণ হার্ড কোর্ট প্রতিযোগিতা এবং ফ্রেঞ্চ ওপেনের প্রস্তুতিমূলক বেশ কয়েকটি ক্লে কোর্ট টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন না।
২০২৪ সালের মার্চে সিনারের দেহে নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ক্লোস্টেবলের উপস্থিতি ধরা পড়ে। একটি স্বাধীন প্যানেল আগেই তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিল, কারণ তার শারীরিক থেরাপিস্টের দেওয়া ওভার-দ্য-কাউন্টার স্প্রে থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে এই নিষিদ্ধ উপাদান শরীরে প্রবেশ করেছিল।
তবে ওয়াডা বিষয়টি নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল এবং কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) আপিল করে। সংস্থাটির মতে, সিনার নিজে ডোপিং না করলেও, তার দলীয় সদস্যদের গাফিলতির দায় তাকে নিতে হবে। প্রাথমিকভাবে ওয়াডা এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত তিন মাসের শাস্তি চূড়ান্ত হয়।
সিনার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটি প্রায় এক বছর ধরে আমাকে মানসিকভাবে ভুগিয়েছে এবং পুরো আইনি প্রক্রিয়া শেষ হতে বছর শেষ হয়ে যেত। আমি সবসময়ই স্বীকার করেছি যে, আমার দলের জন্য আমিই দায়ী। তাই খেলাধুলার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ওয়াডা-এর প্রস্তাব মেনে নিয়েছি।’
সিনার ১৩ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণে ফিরতে পারবেন এবং ৭ মে থেকে শুরু হওয়া ইতালিয়ান ওপেনে খেলতে পারবেন।
টেনিস বিশ্বে সম্প্রতি একাধিক ডোপিং ইস্যু সামনে এসেছে। গত নভেম্বরে তখনকার নারী এক নম্বর খেলোয়াড় ইগা শিয়াতেকও নিষিদ্ধ পদার্থ গ্রহণ করায় এক মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন। সিনারের নিষেধাজ্ঞার পর, টেনিসের ডোপ নীতি আরও কঠোর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতীয় দলের ‘তারকা সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অশ্বিন
সান্তোস ছেড়ে আবারও বার্সেলোনায় ফিরবেন নেইমার?