মোবাইল ইন্টানেটের অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট এবং এসএমএস ক্রয়কৃত পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে নাÑ এ মর্মে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল দেয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. মিজানুর রহমান কায়েস। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাজিয়া শারমিন।
গত ২৩ জানুয়ারি মিজানুর রহমান কায়েস হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন। এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের অব্যবহৃত ডাটা ক্রয়কৃত পরবর্তী ডাটার সঙ্গে যুক্ত হবে। কিন্তু মোবাইল ফোনের জন্য ক্রয়কৃত ইন্টারনেট ডাটা, মিনিট ও এসএমএস অব্যবহৃত থেকে গেলেও তা পরবর্তী ক্রয়কৃত প্যাকেজে যুক্ত করা হয় না। মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর এ ধরনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।
রিটকারী আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে গত ১৩ জানুয়ারি রিট মামলার বিবাদীদের উদ্দেশ্যে আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এ রিট আবেদনটি করা হয়। তিনি বলেন, ‘বিটিআরসির ২০২৩ ও চলতি বছরের জানুয়ারির সার্কুলার অনুযায়ী অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস পরবর্তীতে যুক্ত করার বিষয়ে একটি নির্দেশনা ছিল। এই সার্কুলার হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আমাদের জানামতে কোনো মোবাইল কোম্পানি এটি প্রতিপালন করেনি। ইন্টারনেটের দামও কমায়নি।’ তিনি বলেন, ‘রিট আবেদনে আমাদের যুক্তি ছিল যে, আমি যখন পরবর্তী ডাটা প্যাকেজ কিনব তখন আগের অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস যুক্ত করতে হবে।
