নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরসভার ময়লার ভাগাড় স্থাপনের অভিযোগের গণশুনানি করেছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বড়খাসিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের ধনপুর এলাকায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানিতে ধনপুর গ্রামের শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এর আগে গত ২০১৯ সালে ময়লার ভাগাড় স্থাপন করে মোহনগঞ্জ পৌরসভা। এ ভাগাড়টি স্থানান্তরের জন্য স্থানীয় লোকজন গত ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বরাবর গণস্বাক্ষরে অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার বরখাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামের ফসলি জমির উপর ময়লার ভাগাড় স্থাপন করে মোহনগঞ্জ পৌরসভার। ময়লার ভাগাড় স্থাপনের সময় স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদও করে। কিন্তু মেয়র ময়লার ভাগাড়টি স্থানীয়দের প্রতিবাদের গুরুত্ব না দিয়ে নির্মাণ করেন। এ ছাড়া পরিবেশগত নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে ভাগাড়টি স্থাপন করা হয়। নির্মাণের পর থেকে পৌরসভার ময়লা ফেলা হয় এখানে। এতে ফসলি জমিও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
গণশুনানিতে অংশ নেওয়া গ্রামবাসী জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর ও মোহনগঞ্জ পৌরসভার অফিস থেকে লোকজন এসেছিল। আমরা তাদেরকে ফসলি জমি নষ্ট হওয়ার এবং গ্রামবাসীর দুর্ভোগের কথা বলেছি। আমরা আশা করব সরকার এখান থেকে ময়লার ভাগাড়টি অন্যত্র সরিয়ে নেবে। তাহলেই জনজীবনের শান্তি ফিরে আসবে।
নেত্রকোনা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জব্বর হোসাইন জানান, মোহনগঞ্জ পৌরসভার স্থাপন করা ময়লার ভাগাড়টি পরিদর্শন করেছি। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাদের সমস্যা কথা আমাদের জানিয়েছে। তবে যেখানে ভাগাড়টি স্থাপন করা হয়েছে এটি জনসমাগম এলাকায় এবং ফসলি জমির উপরে। এ বিষয়ে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে গণশুনানি ও ময়লার ভাগাড়ের অবস্থান সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিল করব।
