চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন ইতিহাস আর্সেনালের

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৫, ০৭:২৪ পিএম

ইউরোপের মঞ্চে আরও একবার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিল আর্সেনাল। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে পিএসভি আইন্দহোভেনকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ইতিহাস গড়ল মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা। ক্লাবের ইতিহাসে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় অ্যাওয়ে জয় চ্যাম্পিয়নস লিগে। 

এর আগে ২০০৩ সালে ইন্টার মিলানের মাঠে ৫-১ ও ২০০২ সালে পিএসভির বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানে জিতেছিল আর্সেনাল। এবার সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল তারা। এমন জয়ের দিনে নায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। দুটি গোল করার পাশাপাশি দারুণ সব পাস ও আক্রমণ সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষকে দিশেহারা করেছেন আর্সেনালের এই অধিনায়ক। 

তবে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত পারফরম্যান্স ছিল ১৭ বছর বয়সী ইথান নওনেরির। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউটে গোল করে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন তরুণ এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। তার চমৎকার বাঁ পায়ের ভলি শুধু দলের লিডই বাড়ায়নি, দেখিয়ে দিয়েছে আর্সেনালের ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল হতে পারে। 

পুরো ম্যাচে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েছে আর্সেনাল। শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে আক্রমণ চালায় তারা। ১৮ মিনিটে জুরিয়েন টিম্বারের গোলের পরই স্পষ্ট হয়ে যায়, এই ম্যাচে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না পিএসভি। একের পর এক আক্রমণে কাঁপিয়ে দেয় তারা ডাচ চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ। 

পিএসভি অবশ্য একটি গোল শোধ দেয়। থমাস পার্টের ফাউলের কারণে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করেন নোয়া ল্যাং। কিন্তু সেটা ছিল কেবলই সান্ত্বনা। দ্বিতীয়ার্ধে ওডেগার্ড, লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ড ও রিকার্ডো কালাফিওরির গোল নিশ্চিত করে আর্সেনালের রেকর্ড জয়। 

এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল আর্সেনাল। যেখানে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ অথবা আতলেতিকো মাদ্রিদ। তবে প্রতিপক্ষ যেই হোক, এমন পারফরম্যান্সের পর আর্সেনালকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারে গুনার ভক্তরা। দীর্ঘ ২০ বছর পর ইউরোপের সেরা হওয়ার পথে কি তাহলে এগিয়ে যাচ্ছে লন্ডনের ক্লাবটি? সময়ই দেবে তার উত্তর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত