চলতি বছর জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির তৃতীয় সর্বোচ্চ উৎস ছিল বাংলাদেশ। ওই মাসে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি হয়েছে ৭৯ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারের, যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। অর্থমূল্য বিবেচনায় চলতি বছর জানুয়ারি মাসে দেশটির পোশাক আমদানিতে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটিইএক্সএ) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ওটিইএক্সএ’র তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে সারা বিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্র পোশাক আমদানি করেছে ৭২০ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আমদানির অর্থমূল্য ছিল ৬০৩ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ হিসাবে জানুয়ারি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পোশাক আমদানি প্রবৃদ্ধি ছিল ইন্দোনেশিয়া থেকে। যার হার ৪১ দশমিক ৭০ শতাংশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি প্রবৃদ্ধি হয় ভারত থেকে। যার হার ৩৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এরপর কম্বোডিয়া থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধি ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ভিয়েতনাম থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধি ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। পাকিস্তান থেকে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। চীন থেকে ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোরিয়া থেকে ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। মেক্সিকো থেকে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। শুধু হন্ডুরাস থেকে আমদানি কমেছে জানুয়ারি মাসে। যার হার ঋণাত্মক ২৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি পোশাক আমদানি করেছে চীন থেকে। যার অর্থমূল্য ছিল ১৬০ কোটি ৩৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের তুলনায় আমদানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ।
