এক দিকে পয়েন্ট টেবিলের এক ও দুই নম্বর আবাহনী-গাজীর লড়াই, অন্যদিকে সেই সুযোগে নিজেদের এগিয়ে রাখার সুযোগ মোহামেডানের। তাদেরকে আটকে দিয়ে সুপার সিক্সের পথ সুগম করার চ্যালেঞ্জ ধানমণ্ডির। দুর্বল শাইনপুকুরের সামনে পরাক্রম প্রাইম ব্যাংক। শুক্রবার ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের এমন উত্তেজনfই ছড়ালো তিনটি ম্যাচ। আর দিনশেষে সেখানে জয়ের মালা উঠেছে আবাহনী, মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংকের। লিগে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিন নাইম শেখ তার দলকে জেতালেও পারলেন না নুরুল হাসান সোহান। ওদিকে সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকের পার্টটাইম ঘুর্ণির শিকার স্বরূপ ৪ উইকেট প্রাপ্তিও হয়ে থাকলো সপ্তম রাউন্ডের প্রথম দিনের অন্যতম কাণ্ড।
মিরপুরে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের সেঞ্চুরির পরেও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে ২৩ রানে হেরেছে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব। মাহিদুল অংকনের ৪৪ রানের পর তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ৬ উইকেটে ২১৭ রান তুলেছিল মতিঝিল পাড়ার ক্লাবটি। ৪৭ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২৪ বলে করেন ২৬ রান। কামরুল ইসলাম রাব্বী নেন ৩ উইকেট। ধানমণ্ডি স্পোর্টস ক্লাবের কাছে এ লক্ষ্য কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু উপরের সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা লক্ষ্য ছুঁতে দেয়নি ক্লাবটিকে। তাতে বৃথা যায় নুরুল হক সোহানের ১০ চার, ৪ ছক্কায় খেলা ৯৩ বলে ১০০ রানের ইনিংসটি। মোহামেডানের হয়ে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২টি করে উইকেট শিকার করেন তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।
আবাহনীর বিপক্ষে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের। ৮৩ রানে উপরের ৪ ব্যাটসম্যানকে হারানোর পর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়কে সঙ্গ দেন ওয়াসি সিদ্দিকী। দুজনের ৫৭ রানের জুটি থামে মুমিনুলের শিকার হয়ে বিজয়ের বিদায়ে। ৬৮ রান করেন বিজয়। সেটিই দলের সর্বোচ্চ। ওয়াসি ফেরেন ৪২ রানে। এর পর তোফায়েল আহমেদ, আবদুল গাফফার ও লিয়ন ইসলামের উইকেট তুলে নিয়ে ৪ শিকার পূর্ণ করেন মুমিনুল। তাতে ১৯৯ রানেই থেমে যায় গাজী। এ লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে নিয়মিত উইকেট খোঁয়ানোর পর ২ উইকেটের কষ্টকর জয় পায় আবাহনী লিমিটেড। মোহাম্মদ মিঠুন ৭৬ ও নাজমুল হোসেন শান্তর ৪৩ রানের ইনিংস ও দুজনের ১৩১ রানের জুটিতে শীর্ষস্থান ধরে রাখে আবাহনী।
লিগের তলানীর দল শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে পুরো দাপট দেখিয়েই জিতেছে প্রাইম ব্যাংক। আগে নেমে শাইনপুকুর ব্যাটসম্যানদের আত্মসমর্পণের খেসারত হিসেবে মাত্র ১৫৯ রান ওঠে বোর্ডে। শফিকুল ইসলাম ও নাজমুল অপু শিকার ধরেন ৩টি করে। জোড়া উইকেট পান রিশাদ হোসেন। ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় লিগে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান নাইম শেখ। ৬৩ বলে তিনি ছোঁন তিন অঙ্ক। ৫ ছক্কা ও ১১ চারের শেষটি মেরে ৯ উইকেটে দলকে জেতানোর পর অপরাজিতদ ছিলেন ৬৪ বলে ১০৪ রানে। সাব্বির হোসেন করেন ৪৭ রান। ২০.১ ওভারেই আসরের চতুর্থ জয় পেয়ে টেবিলের পাঁচে অবস্থান নেয় প্রাইম ব্যাংক। ১২ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে আবাহনী। ১০ পয়েন্টে গাজী রয়েছে টেবিলের দুইয়েই, মোহামেডান চারে। তিনে থাকা অগ্রণী ব্যাংক কাল নামবে পারটেক্সের বিপক্ষে।
দুই ‘ডাকে’র পর ‘দ্রুততম’ সেঞ্চুরি, নাওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের রেকর্ড জয়
মেসি ও রোনালদোর মতো এবার মানুষ আমার গোল নিয়ে বিরক্ত, হ্যারি কেন