‘নিখোঁজ’ প্রশাসন নিয়ে অবিশ্বাস

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:১২ এএম

‘দেশে কোনো প্রশাসন নেই’ কথাটি হরহামেশাই শোনা যায়। যাপিত জীবনে যে কথাটি অবলীলায় মুখে আসে তা হচ্ছে প্রশাসন থাকলে কি আর এমন হয়! প্রায় নিখোঁজ সেই প্রশাসন নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর অবিশ্বাস। দলগুলো প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকার অভিযোগ করছে।

এ ক্ষেত্রে টাটকা অভিযোগটি হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান নাহিদ ইসলামের। তার আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশ্ন উঠেছে ডান ও বামপন্থি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও।

কিন্তু প্রশাসনসংশ্লিষ্টদের কথা হচ্ছে, ভোট এলে নিরপেক্ষতা শিকেয় উঠবে এ ঐতিহ্যই চলছে ও চলবে। এখন যা ঘটছে তা এ প্রশাসনবিনাশী ধারাবাহিক ইতিহাসেরই নতুন অধ্যায়। ছলে-বলে-কৌশলে লাগাতার ১৫ বছর শাসনক্ষমতা আঁকড়ে থাকা সরকারের পতন ঘটেছে। এ পরিবর্তনের সুফল মানুষের ঘরে পৌঁছাতে হলে সবার আগে প্রয়োজন নিরপেক্ষ, নিবেদিতপ্রাণ ও নির্লোভ প্রশাসনের। কিন্তু বাস্তবে কী দেখা যাচ্ছে? এটি নিবেদিত নয়, নির্লোভও নয়। আর নিরপেক্ষতা নিয়ে তো চর্চা হচ্ছেই। ছাত্র-জনতার পাশে সেনাবাহিনী ঠিকই দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ক্লান্ত বিমর্ষ পুলিশ গা-ঝাড়া দিয়ে উঠতে পারছে না। আর পুলিশবিহীন অবশিষ্ট জনপ্রশাসন যেন নিখোঁজ। পথহারা পথিকের মতো প্রশাসন মনোবল হারিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, যে যেভাবে পারে আন্দোলন করছে। রাস্তা আটকে দেওয়ায় কাঁধে করে রোগী নিতে হচ্ছে হাসপাতালে। নারী নিগ্রহ এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ছে যে, মনে হয় নারীরা যেন ভিনগ্রহ থেকে এসেছেন। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অপরাধীরা। তারা মানুষকে জিম্মি করে, গুলি করে অথবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে যেতে ভয় পায়। এসব অপরাধের নানা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক ভীতি দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষ দৌড়ে যায় জনপ্রতিনিধির কাছে। জনপ্রতিনিধির জায়গা কি আর আমলা দিয়ে পূরণ হয়? ক্ষমতাসীনদের দল না থাকার পরও যারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছেন, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। কাজেই সাধারণ মানুষ যারা বলেন, প্রশাসন থাকলে কী আর এমন হতো, তারা ঠিকই বলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই ‘নিখোঁজ’ প্রশাসনও নিরপেক্ষহীনতার দোষে দুষ্ট! কার্যকর প্রশাসন থাকলে এভাবে অপরাধ ছড়িয়ে পড়ত না।

পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, সম্প্রতি ডাকাতি ও দস্যুতা বা ছিনতাই ঘটনায় মামলা বেড়েছে। চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডাকাতি ও দস্যুতার ঘটনায় মামলা হয়েছে ২৪২টি, যা গত বছর একই মাসের তুলনায় ৯৯টি বেশি। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ‘মব জাস্টিস’, অর্থাৎ গণপিটুনিতে মৃত্যু দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এমন মৃত্যু শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলেও আসকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশ করা প্রতিবেদনে আসক আরও জানায়, বিদায়ী বছরটিতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, সংখ্যালঘু নির্যাতন পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, মাজারে ও বাউলদের ওপর হামলাও বেড়েছে।

আসক ও পুলিশ প্রতিবেদনের রেফারেন্স দিয়ে একজন অতিরিক্ত সচিব জানান, এমনিতেই প্রশাসনের ওপর এ দেশের মানুষের আস্থা কম। তার ওপর গত প্রায় ১৬ বছরে দলীয় বিবেচনায় বেপরোয়া নিয়োগে সেই আস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এ অবস্থায় মানুষের আস্থা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার উচিত ছিল। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। উল্টো বিভিন্ন ওয়ার্ক স্টেশনে কর্মকর্তারা নিজেরাই নাজেহাল হয়েছেন। নিজেরা তাদের আর্থিক সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। টাকা নিয়ে ডিসি নিয়োগ বা অন্যসব গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করার অভিযোগ উঠেছে। কর্মকর্তারা নিজেদের বিচারই পান না, সাধারণ মানুষের সেবা করবেন কীভাবে? প্রশাসনকে সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে গত ১৫ বছরের সরকারও। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনীতিকদের উপেক্ষা করে মহামারীসহ নানা দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ করেছেন আমলাদের দিয়ে। সাধারণ মানুষ সেই আমলাদের কাছে যেতে পারেনি। সেই আমলারা এখনো গা বাঁচিয়ে চলেন। যখন সাধারণ মানুষকে একটা নাগরিকত্ব সনদের জন্য গলদঘর্ম হতে হয় তখন আমলারা দফায় দফায় পদোন্নতি নিচ্ছেন। বেশিরভাগ আমলা অপেক্ষা করছেন নতুন সরকারের জন্য। নতুন সরকার এলেই তারা মন্ত্রীদের অনুকূল্যে দলীয় প্রধানের সান্নিধ্য পেতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন। এখন আমলারা ঝিম মেরে রাজনৈতিক বাতাস বোঝার চেষ্টা করছেন। বাতাসের গতিপথ বদলালে তারাও বদলাবেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালে। ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নতুন নিয়োগ পেয়েছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩৬৫ জন। ওই সময় পদোন্নতি পেয়েছেন সাড়ে তিন লাখের বেশি। সব মিলিয়ে সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘সুবিধাভোগী’ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যাটা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ। শূন্যপদ বাদে বর্তমানে কর্মরত ১২ লাখ ৩১ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে আওয়ামী লীগ আমলেই নিয়োগ ও পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তার সংখ্যা সাড়ে ১০ লাখ। অনেকের মতেই প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা এসব সুবিধাভোগী চায় না বর্তমান সরকার সফল হোক।

এ অবস্থায় নিরপেক্ষ প্রশাসন নিয়ে আলোচনা উঠেছে, যা গড়াবে নির্বাচন পর্যন্ত। এমনকি নির্বাচনের পরও এর রেশ থাকবে। নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির প্রতিনিধিদল গত বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে। তার পরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যে মাঠ প্রশাসন রয়েছে, সেই মাঠ প্রশাসন মনে হচ্ছে নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চলছে এবং সেসব জায়গায় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা দেখছি প্রশাসন বিএনপির পক্ষ অবলম্বন করছে অনেক জায়গায়। মাঠপর্যায়ে যেসব জায়গায় চাঁদাবাজি চলছে, সেই জায়গায়ও প্রশাসন আসলে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা বলেছি, এ ধরনের প্রশাসন যদি থাকে তাহলে এর অধীনে নির্বাচন করাটা সম্ভব নয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র, পুলিশ নিশ্চিত করতে হবে।’ ইউরোপ প্রতিনিধিদের তারা জানিয়েছেন সংস্কারের কথা। সেই সংস্কার যে ন্যূনতম নয়, মৌলিক হতে হবে সে কথাও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন তিনি। তবে নির্বাচনে এনসিপি যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে ধোঁয়াশায় রেখেছেন নাহিদ।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এক প্রশ্নের জবাবে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যারা নতুন দল করেছে তারা এবং তাদের বন্ধুরা প্রশাসনের নানা প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য বদলি নিয়োগের সঙ্গে জড়িত বলে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর প্রকাশ হচ্ছে। যারা সরকারে আছেন তাদেরই তো দলীয়করণের দায় নিতে হবে। এখন ছাত্রদের প্রতিনিধিরা সরকারে আছেন। তারা তাদের এ দায় বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন। কেন তারা এটা করছেন এটা তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমরা কোনো দলীয়করণ চাই না। প্রশাসন তার বিধিবিধান অনুযায়ী চলুক সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। যারা যোগ্য, চৌকস তাদের দিয়েই প্রশাসন পুনর্বিন্যাস করা দরকার।’

সাইফুল হক আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মদদে যে দল হয়েছে বিরোধী দলগুলো যদি সেই দল নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাহলে নতুন করে জটিলতা তৈরি হবে। সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারকে তা সমাধান করতে হবে। সরকার যে নিরপেক্ষ বৈশিষ্ট্য নিয়ে আছে এবং থাকতে চায়, তা রাজনৈতিক দল ও জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। প্রশাসনে যদি দলীয় আনুগত্যসম্পন্ন কেউ থাকেন, সরকারের উচিত তাদের পরিবর্তন করা। যারা পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করবেন তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো দরকার।’

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। ওইদিন জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বেশ কিছু বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা পালন করতে পারছে না। এ ছাড়া গত ২ অক্টোবর এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রশাসনে এখনো আওয়ামী লীগের দোসররা বহাল তবিয়তে কাজ করছে বলেই দেশে নতুন করে ষড়যন্ত্র ও অনৈতিক কর্মকা- শুরু হয়েছে। এসব আওয়ামী দোসরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে এর দায় পড়বে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। এ ছাড়া বিএনপির অন্যান্য সিনিয়র নেতাও প্রশাসনের নিরপেক্ষহীনতা নিয়ে প্রায়ই বক্তব্য দেন।

জনপ্রশাসনের মধ্যে নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হচ্ছেন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক, ইংরেজিতে যাকে ডেপুটি কমিশনার বা ডিসি বলে। উপজেলায় আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও। ভূমি প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা জেলা প্রশাসনের মৌলিক দায়িত্ব হলেও সব ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা, খেলাধুলার ব্যবস্থাপনাসহ প্রায় সব ধরনের কর্মকা-ে ডিসিকে নেতৃত্ব দিতে হয়। তিনিই সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তা। মাঠ প্রশাসনের এ ব্যবস্থাপনা চলে আসছে শত বছর ধরে। ব্রিটিশ আমলে ডিসিরা যেমন ছিলেন দ-মু-ের মালিক, তেমনি ছিলেন ন্যায়বিচারের প্রতীকও। সরকার তার ভালো-মন্দ সব কাজের দায়িত্ব দিয়ে রেখেছিল এ কর্মকর্তার ওপর। কালের বিবর্তনে যদিও দায়িত্ব ও ক্ষমতা সংকুচিত হয়েছে, তবুও ডিসিরাই এখনো নির্বাচন আয়োজন করেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ইউএনওরা সহকারী রিটার্নিং অফিসার। তারাই গণতান্ত্রিক উৎসবের অবয়বকে বাস্তবে রূপ দেন। বহু দোষত্রুটি এবং অনাচারের নজির থাকলেও গণতন্ত্রের পক্ষে নির্বাচন যাতে নাগরিকদের অবাধ মতদানের প্রক্রিয়া হয়ে উঠতে পারে, তা নিশ্চিত ডিসিদের ওপর খানিকটা নির্ভর করে।

জনপ্রশাসন কর্মকর্তাদের মতে, এবারের হিসাব ভিন্ন। অন্য যেকোনো সময় বোঝা যায় নির্বাচনে কারা আসবে। এবার প্রশাসনের কর্মকর্তারা এখনো বুঝতে পারছেন না শেষ পর্যন্ত কোন দিকে বাতাস বইবে, যা স্পষ্টতই বোঝা গিয়েছিল ২০০১ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে। ক্ষমতার এখন অনেক কেন্দ্র। বিএনপি, জামায়াত ছাড়াও এখন এনসিপি একটা বড় ফ্যাক্টর। তাদেরও বড় ভাবনার বিষয় এই প্রশাসন। প্রশাসন কার কথা শুনবে? আপাতদৃষ্টিতে বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি হলেও জামায়াত এবং এনসিপি নিয়ে হিসাব করতে হচ্ছে আমলাদের। সব মিলিয়ে জটিল সমীকরণের সামনে তারা। এমন হতে পারে, তারা কোনো পক্ষের কথাই শুনছেন না। পুরোপুরি নিরপেক্ষ থেকে বিধিবিধান অনুযায়ী কাজ করবেন। কিন্তু এর জন্য কঠোর লিডারশিপ দরকার বলে তারা মনে করেন।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সব নির্বাচনেই প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কাজেই এবার যেন কোনো প্রশ্ন উঠতে না পারে, সে বিষয়ে মনোযোগী হওয়া দরকার।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত