বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপালে গেল আরও ২৭৩ টন আলু

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:৩২ এএম

ভারত সরকার ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করলেও দেশের উত্তরের পঞ্চগড়ের চারদেশীয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কোনো প্রভাব না পড়ায় বন্দরটির সঙ্গে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের আমদানি-রপ্তানি আগের মতোই চলমান রয়েছে। সে অনুযায়ী নেপালে আরও ২৭৩ টন আলু রপ্তানি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার বন্দরটি দিয়ে আলু রপ্তানির তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টিন ইন্সপেক্টর উজ্জ্বল হোসেন। তিনি বলেন, বিকালে আরও ২৭৩ টন আলু  নেপালে গেছে। এ নিয়ে ৪৪৯৪ টন আলু নেপালে রপ্তানি হলো। এর মধ্যে গত সপ্তাহে (১০ এপ্রিল) বন্দরটি দিয়ে ১৪৭ টন আলু রপ্তানি হয়েছে নেপালে।

উজ্জ্বল হোসেন আরও বলেন, আলুগুলো রপ্তানি করছে থিংকস টু সাপ্লাই, হুসেন এন্টারপ্রাইজ, স্বাধীন এন্টারপ্রাইজ ও ক্রসেস এগ্রোসহ  বেশ কিছু রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। আলুগুলো পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আলুগুলো সংগ্রহ করে নিয়মিত নেপালে রপ্তানি হচ্ছে। এভাবে আলু নিয়মিত রপ্তানি হতে থাকলে বাংলাদেশ সরকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবেন আর আমাদের দেশের কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের আলুর দাম পাবেন।

বন্দরটি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত ও নেপালে পাট, ওষুধ, প্রাণ ও ওয়ালটনের পণ্য, জুস, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিসহ নানা ধরনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। অপরদিকে মসুর ডাল, গম, ভুট্টা, চিরতা, হাজমলা, যন্ত্রপাতি, প্লাস্টিক দানা, রেললাইনের স্লিপার, খইল, আদা ও চিটাগুড় আমদানি করা হয়।

গত ৮ এপ্রিল ভারতের ভূখ- ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য তৃতীয়  দেশে যাওয়ার সুবিধা বাতিল করে দেশটি। এতে বুধবার থেকে ভুটান,  নেপাল ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্রুত ও স্বল্প খরচে বাণিজ্য করার পথ বন্ধ হয়ে গেলেও এ স্থলবন্দরটি দিয়ে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত