এএইচএফ কাপ হকিতে টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মুকুট আর মাথায় থাকলো না বাংলাদেশের। উত্তেজনায় ঠাসা সেমিফাইনালে শেষ পর্যন্ত হেরেই গেল বাংলাদেশ। এ বছর ভারতের রাজগিরে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে হতে যাওয়া এশিয়া কাপে খেলার আশাও ভেস্তে গেছে মামুনুর রশীদের শিষ্যদের।
৪৩ বছর পর হকির এশিয়া কাপে নেই বাংলাদেশ। ১৯৮২ সাল থেকে শুরু হয়েছে এশিয়া কাপ হকির আসর। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টের প্রতি আসরে খেলেছে। এবার এএফএইচ কাপ প্রতিযোগিতার সেরা দুই দল ওমান ও চাইনিজ তাইপে পেয়েছে এশিয়ান কাপে খেলার টিকেট।
গত এশিয়ান গেমসে সবশেষ দেখায় ওমানের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। অথচ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় শুক্রবার প্রথম সেমিফাইনালে ওমানের বিপক্ষে ৫-৪ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। পুল পর্বের সবগুলো ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে অষ্টম মিনিটে, আল-নৌফালির ফিল্ড গোলে। প্রথম কোয়ার্টারে পেনাল্টি কর্নার থেকে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ; জোরালো হিটে লক্ষ্যভেদ করেন সোহানুর রহমান সবুজ।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ওমানকে চাপ দিতে থাকে বাংলাদেশ। ২৪তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আশরাফুল ইসলামের গোলে এগিয়ে যায় দল। এরপর দ্রুত ছন্দ হারিয়ে দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। ২৭তম মিনিটে আল ফাজারি রাশিদ সমতা ফেরানোর পর ওমানকে ফিল্ড গোলে এগিয়ে নেন আল ফাহাদ। তৃতীয় কোয়ার্টারে আল আলিয়াস সার্কেলের ভেতর থেকে আলতো টোকায় ব্যবধান আরও বাড়ান। এই কোয়ার্টারে সপ্তম মিনিটে সতীর্থের লং হিট থেকে পাওয়া বল সার্কেলের ভেতরে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন ওবায়দুল হোসেন জয়। এই কোয়ার্টারের শেষ দিকে আল ফারাজির গোলে ফের কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
চতুর্থ কোয়ার্টারে ঘুরে দাঁড়াতে যে মরিয়া চেষ্টার প্রয়োজন ছিল, তার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়নি মিমো-রকিদের খেলায়। এর মধ্যেও ৫৪তম মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান কমিয়ে ফিকে হয়ে যাওয়া আশা নতুন করে জাগান সবুজ, কিন্তু বাকি সময়ে বাংলাদেশ আর পায়নি সমতায় ফেরা গোলের দেখা। আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রবিবার কাজাখস্থানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
তামিমদের চাপে হৃদয়ের শাস্তি পেছালো বিসিবি
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি সাঁতারু রাফির স্বর্ণজয়