প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, ‘নতুন বাংলাদেশে গণমানুষের যে আশা-আকক্সক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে পড়ব।’ গতকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে (টিএসসি) বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের দুদিনব্যাপী ১৪তম দ্বিবার্ষিক আন্তর্জাতিক ইতিহাস সম্মেলন ও সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতার আলোকে ইতিহাসের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালনা এবং দেশকে ঢেলে সাজানোর একটি দুর্লভ ও সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।’ প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছি। দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। বিচারপ্রার্থী ও সংশ্লিষ্টরা ইতিমধ্যে এর সুফল পেতে শুরু করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস যে কোনো জাতির আত্মপরিচয়ের ধারক। একটি জাতির অতীতের চেতনা, সফলতা ও আত্মত্যাগ সবকিছু ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকে। এ কারণে ইতিহাস আমাদের পথচলার দিকনির্দেশক ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা।’ বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির প্রমুখ।
