সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পা রেখেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ভারতের অরুণাচল প্রদেশের উইপিয়া শহরে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে তারা ২-১ গোলে নেপালকে হারিয়েছে। ম্যাচের শেষ ১৭ মিনিটে দুদল তিন গোলের দেখা পেয়েছে। এর মধ্যে ৭৩ মিনিটে আশিকুর রহমানের হেড বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দেয়। এরপর ৮১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল। দুই গোলের লিডের পর অতিমাত্রায় রক্ষণাত্মক হওয়ার খেসারত গুণতে হয় বাংলাদেশকে। ৮৭ মিনিটে নেপালের এক গোল শোধ করেন সুজন দাঙ্গল। গত বছর নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে দুদলই গোলের বেশ কিছু সুযোগ তৈরী করেছিল। তবে কোন দলই প্রতিপক্ষের গোলের দরজা খুলতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ হয়েছে দুই অর্ধ্বেই। তবে বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে ছিল। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড লাইন বারবার আক্রমণ সাজিয়েও কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দেন ডিফেন্ডার আশিকুর রহমান। ৭৩ মিনিটে নাজমুল হুদা ফয়সালের বাঁকানো কর্নারে শেষ মুহূর্তে হেড করে বল জালে জড়িয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন আশিক।
৮১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফয়সাল। তবে এই গোলের বড় কৃতিত্ব পাবেন বদলী স্ট্রাইকার মোহাম্মদ মানিক। নিজেদের অর্ধ থেকে স্যামুয়েল রাকসামের লম্বা থ্রু ধরে আক্রমণে উঠে গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন মানিক। নিজে গোলের চেষ্টা না করে ফাঁকায় থাকা ফয়সালকে দেন। ফয়সাল গোলের আনুষ্ঠানিকতা সাড়েন।
এরপরই লিড ধরে রাখতে পুরোপুরি রক্ষণাত্মক হয়ে যায় বাংলাদেশ। তাতে নেপাল চড়াও হওয়ার সুযোগ পায়। যার সুযোগ তারা কাজে লাগায় ৮৭ মিনিটে। সুবাস বামের থ্রু পাস ধরে দ্রুত ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে রঞ্জিত লামা কাটব্যাক দেন সুজন দাঙ্গলকে। চলন্ত বলে তার শট দূরের পোস্টে প্রবেশ করে। বাকিটা সময় সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি নেপাল। ফলে শেষ দৃশ্যে বাংলাদেশের সঙ্গী হয় চওড়া হাসি। কিছুক্ষণ বাদে একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভারত মুখোমুখি হবে মালদ্বীপের।
বড় জয়ে শিরোপার আরও কাছে মোহামেডান
রাব্বী-রাকিবুলের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সিরিজ বাংলাদেশের