কক্সবাজারের পেকুয়ায় যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হাজিবাজার এলাকায় হাজির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধূর নাম লতিফা আক্তার (২৫)। তিনি ওই এলাকার হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী। লতিফার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লতিফার স্বজনরা জানান, মধ্যযুগীয় কায়দায় তাকে পেটানো হয়েছে। লাঠির আঘাতে তার বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। চমেক হাসপাতালে গতকাল পায়ের অস্ত্রোপচার হয়েছে। অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন হাজির বাড়ির ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার স্বামী-স্ত্রী দম্পতির মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় হেলাল উদ্দিন উত্তেজিত হয়ে তার স্ত্রী লতিফাকে লাঠি দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে পেটাতে থাকে। পিটিয়ে সারা শরীর থেঁতলে দিয়েছে। লাঠির আঘাতে তার বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে তাদের ৮ বছর বয়সী মেয়ে মিসফাহুল জান্নাতও গুরুতর আহত হয়েছে। স্থানীয় লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। সেখানে চিকিৎসকরা মা-মেয়ে দুজনকে চমেক হাসপাতালে রেফার করেন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
