সময় গড়িয়েছে ১০ মাস। হুমকির আতঙ্কে গতবার ফিরতে পারেননি। তবে এবার আর বাধা দিতে পারেনি কোনো ভয়—আনহেল ডি মারিয়া ফিরছেন শৈশবের ক্লাবে আর্জেন্টিনার রোজারিও সেন্ট্রালে।
৩৭ বছর বয়সী ডি মারিয়ার রোজারিওতে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু ২০০৫ সালে। এরপর দীর্ঘ ইউরোপ-যাত্রা, অসংখ্য ট্রফি, বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব। সব শেষে আবার সেই শিকড়ে ফেরা—রোজারিও সেন্ট্রাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ভিডিওর মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছে তার প্রত্যাবর্তনের:
“আমাদের ইতিহাসের আরও পৃষ্ঠা লেখা বাকি। ঘরে ফিরে এসো—স্বাগত আনহেল।”
২০২৩ সালের গ্রীষ্মেই ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রোজারিওতে ফেরার পরিকল্পনা ছিল আনহেলের। তবে অঞ্চলটিতে ক্রমবর্ধমান মাদক-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা এবং পরিবারের প্রতি ভয়ংকর হুমকির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হন।
সেই সময় আনহেল ডি মারিয়া বলেছিলেন:
"আমার বোনের ব্যবসায় একটি বাক্স ফেলা হয়েছিল, তাতে ছিল একটি শুকরের মাথা ও কপালে গুলি। নোটে লেখা ছিল—আমি রোজারিও সেন্ট্রালে ফিরলে পরের মাথাটা হবে আমার মেয়ে পিয়ার। সেই কয়েক মাস ছিল ভয়াবহ। আমরা প্রতিরাতে শুধু কাঁদতাম, কারণ স্বপ্ন পূরণ করতে পারিনি।"
সফল ইউরোপিয়ান অধ্যায়
রোজারিও থেকে ২০০৭ সালে ইউরোপ যাত্রা শুরু আনহেলের, প্রথম গন্তব্য ছিল বেনফিকা। এরপর একে একে খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, প্যারিস সাঁ জার্মেই ও জুভেন্টাসে। ইউরোপে ৭০০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি, জিতেছেন ৩০টি ট্রফি—এর মধ্যে রয়েছে তিনটি দেশের লিগ শিরোপা, ২০১৩-১৪ মৌসুমে রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ।
২০২৩ সালে আবারও বেনফিকায় যোগ দিয়েছিলেন আনহেল। ক্লাব বিশ্বকাপ শেষেই বিদায় জানাবেন ইউরোপিয়ান ফুটবলকে।
ছক্কা-ঝড়ে বদলে যাচ্ছে পাকিস্তান, ৭ ম্যাচে যা পেয়েছে তিনবার
বাংলাদেশকে হারানোর রাতে হাসানের মায়ের ২ লাখ রুপি ছিনতাই