তৃতীয় দিনে ৬ উইকেটে ১১৫ রান নিয়ে শেষ করা বাংলাদেশ চতুর্থ দিনে ক্রিজে ছিল মাত্র ৫.৪ ওভার। এর মধ্যেই ১৮ রানে বাকি চার উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৩ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। কলম্বো টেস্টে ইনিংস ও ৭৮ রানে হেরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ১–০ ব্যবধানে হেরে বসে বাংলাদেশ।
সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে চার টেস্টে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় ইনিংস পরাজয়। ২০০১ এবং ২০০৭ সালের টেস্ট দুটিতেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল।
প্রথম ইনিংসে ২৪৭ রানে অলআউট হওয়ার পর শ্রীলঙ্কা তোলে ৪৫৮ রানের পাহাড়। তাতে লঙ্কানদের লিড দাঁড়ায় ২১১ রান। সেই চাপ নিয়েই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ, তবে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাসও মেলেনি। স্পিন-বিভ্রাটে একের পর এক উইকেট হারিয়ে একপ্রকার আত্মসমর্পণই করে ফেলেন টাইগার ব্যাটাররা।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল দুই ইনিংসেই। প্রথম ইনিংসে এনামুল হক ব্যতীত বাকিরা ছোট ছোট ইনিংস খেলে ফিরেছেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও মুশফিক (২৬), এনামুল (১৯), শান্ত (১৯) কিছুটা শুরু পেলেও কেউই দাঁড়াতে পারেননি। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের কারও ফিফটি নেই—এটাই ব্যাটিং ব্যর্থতার বড় প্রমাণ।
প্রভাত জয়াসুরিয়া কলম্বো টেস্টে বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। গলে একাদশে থাকলেও উইকেটশূন্য থাকা জয়াসুরিয়া কলম্বোয় ফিরেছেন ৫ উইকেট নিয়ে (৫/৫৬)। সঙ্গে ধনাঞ্জয়া ও থারিন্দুও ছিলেন কার্যকর।
এই টেস্টে দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন ওপেনার পাতুম নিশাঙ্কা। তার ১৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংসেই ম্যাচের রূপ বদলে দেয় শ্রীলঙ্কা। দুই ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতা সেই পার্থক্যকে করে তোলে আরো প্রকট।
এখন সিরিজের টেস্ট অধ্যায় শেষ। সামনের লক্ষ্য তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যার সূচনা হবে আগামী বুধবার কলম্বোতেই।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২৪৭ ও ১৩৩ (৪৪.২ ওভার)
মুশফিক ২৬, এনামুল ১৯, নাজমুল ১৯, মুমিনুল ১৫, লিটন ১৪
জয়াসুরিয়া ৫/৫৬, ধনাঞ্জয়া ২/১৩, থারিন্দু ২/১৯
শ্রীলঙ্কা: ৪৫৮
নিশাঙ্কা ১৫৮, চান্ডিমাল ৯৩, কুশল ৮৪
তাইজুল ৫/১৩১, নাঈম ৩/৮৭
ফল: শ্রীলঙ্কা জয়ী ইনিংস ও ৭৮ রানে
ম্যাচসেরা: পাতুম নিশাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা)
সিরিজসেরা: পাতুম নিশাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা)
মেসিকে এখনও ‘ক্ষমা করেনি’ প্যারিস!
ক্লাব বিশ্বকাপে খেলেই নতুন ফুটবলার কেনার টাকা উঠে গেছে সিটি ও চেলসির