কৃষক লীগ নেতার বিরুদ্ধে মাছ লুট হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৫, ১২:১৮ এএম

বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়নের কহিতকুল গ্রামে কহিতকুল মৎস্যজীবী সমিতির নামে সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া পুকুরের মালিকানা দাবি করে উপজেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে হামলা, ভাঙচুর এবং জাল ফেলে কিছু মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ নান্নু।

থানায় করা অভিযোগ থেকে ও নূর মোহাম্মদ নান্নুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশালপুর ইউনিয়নের কহিতকুল মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জলমহাল ইজারার তালিকাভুক্ত ১ একর ৯০ শতাংশের রাধু পুকুরটি প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে সরকারিভাবে ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করে আসছি। গত ২৬ জুন সকাল ৭টায় মোহাসিন আলী, মিজানুর রহমান ও আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী রড, বাটামসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুকুরের পাড়ে থাকা ঘর, পুকুরের ওপরে থাকা নেট এবং নৌকা ভাঙচুর করে। পরে তারা জোরপূর্বক জাল ফেলে কিছু মাছ লুট করে নিয়ে যায়। পুকুরের পাহারাদার কছিম উদ্দিন এ সময় বাধা দিলে তারা তাকে মারধর করে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ছাড়া তারা পুকুরে চাষ করা সব মাছ তুলে নিয়ে যাবে বলেও হুমকি দেয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমার দ্বারা পুকুরের মাছ লুট বা হামলা-ভাঙচুরের এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকারি ইজারাভুক্ত পুকুরের মালিকানা কোনো ব্যক্তির দাবি করার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে তদন্ত-পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরপরই ফোর্স পাঠিয়েছিলাম। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত