জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুল্লাহ আল সানীর নামে ‘বগুড়ার বিএনপি অফিস ভাঙার’ হুমকির হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়া (অফিসিয়াল গ্রুপ) নামক ফেসবুক গ্রুপে জাকিরুল ইসলাম নামে এক ছাত্রদল নেতা ওই স্ক্রিনশট দিয়ে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বগুড়ার মব নেতা, ৫ আগস্টের পর বিপ্লবী সাজা ডা. সানী বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙার দায়িত্ব নিছে।’
শনিবার মধ্যেরাতে তিনি এ পোস্ট করেন। জাকিরুল ইসলাম বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
এদিকে শনিবার ঢাকার ওয়ারী থানায় বগুড়ার ছাত্রদল নেতা জাকিরুলের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে এনসিপির শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুল্লাহ আল সানী।
সাধারণ ডায়েরিতে আব্দুল্লাহ আল সানী উল্লেখ করেছেন, ছাত্রদল নেতা জাকিরুল ইসলাম গত ১২ জুলাই রাত আনুমানিক ১২টা ৪২ মিনিটে ‘জুলাই মঞ্চ, বগুড়া জেলা’ নামে একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে আমাকে উদ্দেশ্য করে ছাত্রদল নেতা জাকিরুল ইসলাম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর রাত ৩টার দিকে আব্দুল্লাহ আল সানীর নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খোলা হয় এবং সেখান থেকে উসকানিমূলক বার্তা ফেসবুকে পোস্ট করা হয়।
গত দুই সপ্তাহ ধরে অভিযুক্ত জাকিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা ফেসবুকে আব্দুল্লাহ আল সানীর নামে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।
রবিবার এ বিষয়ে কথা হয় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা জাকিরুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি সবকিছুসহ উল্লেখ করেছি। ৫ আগস্টের পর বগুড়ায় মব সন্ত্রাস তৈরি হয়েছিল সেগুলোতে ডা. সানির ইন্ধনে রয়েছে। তিনি বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং চাঁদা না দিলে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। আমি একজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী হিসেবে এর প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে এনসিপির শ্রমিক উইংয়ের নেতা আব্দুল্লাহ আল সানী বলেন, বিএনপি বগুড়া জেলার পার্টি অফিস ভাঙার যে হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট ছড়ানো হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। জাকিরুল ও সাদ হিংসার বশবর্তী হয়ে আমাকে নিয়ে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে।
