সুষ্ঠু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশপ্রেমিক জনতাকে আগামী ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় সমাবেশে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। গত মঙ্গলবার রাজধানীতে দলের এক সভায় তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের প্রতীক। তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে আমরা এই জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করেছি।’
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য এই সমাবেশ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন, ইসলামিক দাওয়াহ সার্কেল মালয়েশিয়ার সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানসুর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ও আইআরডির প্রতিনিধিসহ মহানগর পর্যায়ের নেতারা।
জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর সাত দফা দাবির ভিত্তিতে এই সমাবেশ আয়োজিত হচ্ছে, যাকে দলটি ঐতিহাসিক গণজাগরণের সম্ভাবনাময় কর্মসূচি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
ডিএমপির সঙ্গে বৈঠক
এদিন দুপুরে জাতীয় সমাবেশের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়। জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ড. রেজাউল করিম, মো. দেলাওয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও আবদুস সাত্তার সুমন। ডিএমপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপারেশন) নজরুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) মো. শহীদুল্লাহ, উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) গৌতম কুমার বিশ্বাস, উপপুলিশ কমিশনার (রমনা) মাসুদ আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জামায়াত নেতারা সমাবেশ সফল করতে ডিএমপির সহযোগিতা কামনা করেন।
