ক্ষতিগ্রস্ত শত শত একর জমি

নদীর পানিতে ডুবে গেছে ঠেঙ্গামারী ও আওয়ালী বিল

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২৫, ১১:২৭ এএম

যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুরে ইছামতী নদীর পানি উপচে ভেসে গেছে ঠেঙ্গামারী ও আওয়ালী বিল। টানা কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের ফলে বিল দুটি পানিতে তলিয়ে গিয়ে অন্তত ৫০০ একর এক ফসলি জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

রুদ্রপুর, গোগা, বাহাদুরপুর, পুটখালী, বেনাপোল, বাগআঁচড়া ও নাভারণসহ আশপাশের বেশ কিছু এলাকায় বিস্তীর্ণ জমিতে এখনো পানি জমে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা এলেই নদীর পানি আশপাশের ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

জমিতে দীর্ঘ সময় পানি আটকে থাকার জন্য দায়ী করা হচ্ছে নদীর মুখে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা ও সঠিকভাবে খনন না করাকে। এতে করে ঠেঙ্গামারী ও আওয়ালী বিলে একমাত্র ফসল উৎপাদনেও বাধা সৃষ্টি হয় বলে জানান কৃষকেরা।

রুদ্রপুর গ্রামের কৃষক হোসেন আলী বলেন, ‘প্রতি বছরই এই সমস্যা হচ্ছে। বর্ষার পানিতে জমি ডুবে যায়, কিন্তু পানি সরে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, নদী খননও হয় না। এভাবে আর কত বছর চলবে? আমরা চাই টেকসই সমাধান।’

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা সরকারি সহযোগিতা ও নদী খননের দাবি জানিয়েছেন যাতে তাদের একমাত্র জীবিকা নির্বাহের উপায় ধ্বংস না হয়।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে ভারী বর্ষণের কারণে ঠেঙ্গামারী ও আওয়ালী বিলে প্রায় ৫ হেক্টর বীজতলা, ৩৫ হেক্টর আমন ধান এবং ২০ হেক্টর পাটের ক্ষতি হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “বিলের জমিতে পানি জমে থাকায় প্রায় ৫০০ একর জমিতে এবার আমন রোপণ নাও হতে পারে। প্রতি বছরই এ সমস্যা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত