রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। কিন্তু বেশিদিন টিকতে পারেননি। ৯ মাস পরেই তাকে সরিয়ে বিসিবির সভাপতি করা হয় আরেক সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে। ফারুকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মাঝে একটি ছিল বিসিবির ফান্ড নয়ছয় করা। এবার সেই অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দিয়েছে দুদক।
ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে, তার আমলে, তিনি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের পূর্বানুমোদন ছাড়াই বিসিবির স্থায়ী আমানত থেকে ২৫০ কোটি টাকা ‘তহবিল অপব্যবহারের উদ্দেশ্যে’ অন্যান্য ব্যাংকে স্থানান্তর করেছিলেন! গত এপ্রিলে এমন অভিযোগ ওঠার পর বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলেন ফারুক। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ আনেন বিসিবির কিছু পরিচালক এবং তাকে সভাপতির পদ থেকে অপসারণের চেষ্টা শুরু হয়।
এমতাবস্থায় বিষয়টি তদন্তের জন্য, দুদক সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করে। গত ১৭ মে দলটি বিসিবিতে গিয়ে নথিপত্র সংগ্রহের পাশাপাশি তদন্ত করে। এরপর গত ১৩ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ে। এতে বলা হয় যে, ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং তাকে সমস্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফারুক আহমেদ নিজেও বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।
বিপিএলে খেলা পেসার নাম লেখালেন পর্ন সাইটে!
রাজনীতিতে বিলীন ভারত-পাকিস্তান টেস্ট রোমাঞ্চ