সরকারের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে, একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে প্রশিক্ষকের সম্মানীও। প্রশিক্ষকদের সম্মানী বেড়েছে ১ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের বক্তা সম্মানী এবং প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তৃতীয় গ্রেড বা যুগ্ম সচিব এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতি ঘণ্টার সেশনে প্রশিক্ষক সম্মানী পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এর আগে ২০১৯ সালের মে মাসে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রায় পাঁচ বছরের ব্যবধানে এ ভাতা বাড়ল ১ হাজার ১০০ টাকা। এরও আগে এ ভাতা ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেড বা উপসচিব এবং তদনিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতি ঘণ্টার সেশনে প্রশিক্ষক সম্মানী পাবেন ৩ হাজার টাকা। আগে যা ছিল ২ হাজার টাকা।
প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণে এতদিন গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা পেতেন ৬০০ টাকা। এখন থেকে এটিকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১০ থেকে তার নিম্নপর্যায়ের কর্মচারীর প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা ছিল ৫০০ টাকা। সেটি এখন বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।
একইভাবে কোর্স পরিচালকের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার, কোর্স সমন্বয়কের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ২০০ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ এবং সাপোর্ট স্টাফদের সম্মানী ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে এ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তর কর্তৃক শুধু নিজ নিজ দপ্তরের কর্মচারীদের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য সদর দপ্তর থেকে আয়োজিত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তিকাল দিনব্যাপী না হলে দুপুরের খাবার বাবদ কোনো ব্যয় করা যাবে না। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। গ্রেড বলতে সাবস্টেনটেটিভ গ্রেড (মূল গ্রেড) বোঝাবে। আদেশ জারির তারিখ থেকে পুনর্নির্ধারিত হার কার্যকর হবে।
