ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুলের ১৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণিল আয়োজনে পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভসূচনা হয়। সাবেক ও বর্তমান কয়েকশ শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পরে কেক কাটা হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান মিলিয়ে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন (নিবন্ধন) করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল প্রাঙ্গণ শিক্ষার্থীদের এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতিচারণ করেন।
শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতিচারণে ষাটের দশকের স্কুলের শিক্ষার্থী অধ্যাপক বুলবুল কবির বলেন, ‘১৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণিল আয়োজনে অংশ নিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা বলে শেষ করা যাবে না। এখানকার শিক্ষকরা অনেকেই এখন বেঁচে নেই। তারা ছিলেন মানুষ গড়ার সত্যিকার কারিগর। তাদের কাছ থেকে যে শিক্ষা পেয়েছি, তা কোনোদিন ভুলতে পারব না।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা দেখেছি, একজন অতিথি আসবেন বলে রাস্তায় স্কুলের বাচ্চাদের দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। রাস্তায় ৬-৭ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে বাচ্চারা অচেতন হয়ে রাস্তায় পড়ে গেছে। আমাদের এসব প্র্যাক্টিস থেকে সরে আসতে হবে।’
বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি এমএ সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব মোহাম্মদ মশিউর রহমান, ড. ফরিদুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. আজাদ খান, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরিফ প্রমুখ।
