গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নববধূকে বাসররাতে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর ওই নববধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় স্বামী আশাদুল ইসলাম ওরফে আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানেরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফাহাদ আল আসাদ জানান, গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ওই নারী হাসপাতালে আসেন। সঙ্গে আরও দুজন নারী ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা নিতে আসা ওই নারীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে চলে যান। গত বৃহস্পতিবার রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, গত বুধবার শেষ রাতে বিয়ের পর তাদের বিদায় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই মেয়ে। শুক্রবার দুপুরে ওই মেয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজন আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রকৃত ঘটনা কী, তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।
