লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সরকারি খাল দখল করে দোতলা বাড়ি ও দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী অবসরপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা আলী হোসেনের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চর লরেন্স মুসার খালের সংযোগস্থলে দোতলা বাড়ি ও দেয়াল দেখা যায়। এতে খালের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। খালের দু'পাশে ঘনবসতি রয়েছে। খালের মধ্যে জলাশয় ও দখলের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চর পাগলা মৌজায় ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৮৩২ দাগের ২৮ শতাংশ জমি খালের মালিকানায় রয়েছে। খালের চওড়া ছিল প্রায় ২৫-৩০ ফুট। তবে সরেজমিনে খালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মুসার খাল সংযোগস্থল পানি এমপির খাল হয়ে মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আবু ছিদ্দিক মেম্বার বলেন, দীর্ঘ বছর পূর্বে এখানে মুসার খালের সংযোগ ছিল। গত কয়েক বছর খালের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। খাল মৃত হয়ে যায়। খালের দু'পাশে ঘনবসতি ও দখলে খাল অস্তিত্ব সংকটে পড়ে। কিছু পানি জলাবদ্ধতা তৈরি করছে। বর্ষায় পানি নামতে পারে না। শুস্ক মৌসুমে পানি জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। দ্রুত খালের দখলমুক্ত করে খননের গুরুত্ব রয়েছে।
অভিযুক্ত আলী হোসেন বলেন, তিনি খাল দখলে বাড়ি নির্মাণ করেননি। যারা তথ্য দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ ছাড়া সরকারি খাল দখলের বিষয়ে সরকার কথা বলবে সাংবাদিকরা কেন বলবে? এমন প্রশ্ন করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা আরাফাত হোসাইন বলেন, খাল দখলের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
