নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিয়ের দাবিতে এক পল্লীচিকিৎসকের বাড়িতে তিনদিন ধরে অনশন করছেন এক মাদরাসার শিক্ষার্থী। উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের পূর্ববিরবিরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পল্লীচিকিৎসক নাহেদ উদ্দিন উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের পূর্ব বিরবিরি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পল্লীচিকিৎসার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে ফার্মেসি ব্যবসাও করছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা গেছে, পল্লীচিকিৎসক নাহেদ উদ্দিনের বাড়িতে অনশনে থাকা ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে এলাকার উৎসুক লোকজন ভিড় করেছে।
স্থানীয়রা জানান, নাহেদের সঙ্গে অনশনকারীর দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ সুবাধে ওই শিক্ষার্থী পল্লীচিকিৎসকের দোকানে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে নাহেদ পালিয়ে যান। পরে তিনি নাহেদের বাড়িতে উঠেন। গত তিনদিন ধরে তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে একাধিকবার গ্রাম্য শালিস বসলেও সম্পর্কের তেমন কোনো প্রমাণ দিতে না পারায় সমাধান হয়নি।
অনশনকারী বলেন, তার সঙ্গে আমার অনেক দিনের সম্পর্ক। তিনি আমাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এখন তার পরিবার তাকে অন্য জায়গায় বিয়ে করানোর জন্য কথা বলতেছে। এটা শুনে আমি তাকে কল দিয়েছি। কিন্তু তিনি মোবাইল বন্ধ করে রেখেছেন। তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার সম্পর্কের অধিকার নিয়ে তার বাড়িতে চলে এসেছি। আমাকে বিয়ে না কর পর্যন্ত এ বাড়ি ছেড়ে আমি যাবো না। প্রয়োজনে আমার লাশ যাবে।
এ বিষয়ে পল্লীচিকিৎসক নাহেদ উদ্দিন বলেন, মেয়েটি দীর্ঘদিন থেকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে, আর এতে এলাকার একটি চক্রও যুক্ত। তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আর যদি এর কোনো প্রমান দিতে পারে তাহলে সমাজের যে কোনো শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব।
