বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, বিএনপি ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে রেইনবো নেশন গড়ে তুলবে। যা জাতিকে ইনক্লুসিভ ও পজিটিভ বাংলাদেশ উপহার দেবে।
আজ শুক্রবার সকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আলোকিত হালুয়াঘাট গড়ে তুলতে ধারাবাহিক মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে গারো সম্প্রদায়ের মাহারী (গোত্র) ভিত্তিক প্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় এমন কথা বলেন।
এ সময় তিনি গারো সম্প্রদায়সহ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনগণের প্রতি বিএনপির পাশে থেকে নিজ ঐতিহ্যকে ধারণ করে আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পদযাত্রায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, গোত্র নির্বিশেষে অমরা সবাই বাংলাদেশি। একাধিক ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতির এই বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৎকালীন আওয়ামী সরকার শুধুমাত্র বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রীক জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করে অন্যান্য ভাষা, সংস্কৃতি এবং ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীকে অস্বীকার করেছিল। যার প্রেক্ষিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পরর্বতীতে সকল ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তবাদ প্রতিষ্ঠা করে দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের এই মর্মবাণী অপব্যাখ্যা করে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বিভ্রান্ত করেছে। বিএনপি কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি বাংলাদেশে বসবাসকারী সকল ধর্মাবলম্বী ও জাতিগোষ্ঠীর দল। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে অবহেলা বা অবজ্ঞা নয়, তাদের যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়ন এবং তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে ও বিরাজমান সমস্যার সমাধান করতে বিএনপির আগামী সরকার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে পৃথক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করবে, যা বেগম খালেদা জিয়া তার ভিসন ২০৩০ এ উল্লেখ করেছিলেন।
হালুয়াঘাট পৌর শহরের ইমেক্স হোটেলে হালুয়াঘাট ট্রাইবাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যন সুব্রত রেমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভাও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আমজাদ আলী, কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশ, চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, গারো সম্প্রদায়ের অপূর্ব ম্রং, শ্যামল রিছিল, আশীষ আজিম, পেরস দারিং, এমিল পথাং, রতন সাংমা, পাষ্টর ফরিদ ম্রং, পাস্টার তুরিদ্র পাঠা, উত্তম রাসাং, নির্পন মালসাম, প্রনুয়েল রুরাম, ফ্রান্সিস ঘাগরা, প্রদীপ বাজি, লিরা চিরান, শ্রিয়া চিরান, প্রলয় রংদী, সাধুচরণ আজিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বগুড়ায় স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মধুবন সিনেপ্লেক্স
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গানের শিক্ষক নয়, ধর্মীয় শিক্ষক দরকার 