নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শন

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫১ এএম

ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক সামরিক মহড়ার আয়োজন করে উ. কোরিয়া। গতকাল শনিবার পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, রাশিয়া ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এক সামরিক কুচকাওয়াজে উত্তর কোরিয়া নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে। বলা হচ্ছে, এটি উত্তর কোরিয়ার ভা-ারে থাকা ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ ক্ষেপণাস্ত্র। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। তিনি রুশবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের জন্য উত্তর কোরিয়ার হাজার হাজার সৈন্য পাঠানোর পর রাশিয়ার কাছ থেকে অভাবনীয় সমর্থন পেয়েছেন।

কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ। ছিলেন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং ভিয়েতনামের নেতা তো লাম। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) প্রকাশিত একটি ফুটেজে দেখা গেছে, তারা সবাই কিমের পাশে বসে আছেন। এই প্রদর্শনীতে দেশের সবচেয়ে উন্নত কিছু অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ছিল নতুন হোয়াসং-২০ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), যাকে উত্তর কোরিয়া সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্রব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, হোয়াসং সিরিজের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উত্তর কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলার সক্ষমতা এনে দিয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ক্ষেপণাস্ত্রটি পৌঁছে দেওয়ার মতো গাইডেন্স ব্যবস্থাপনা দেশটির আছে কি না বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় এগুলোর ওয়ারহেডের টিকে থাকার সক্ষমতা কেমন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

কুচকাওয়াজে দেওয়া ভাষণে কিম বলেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনীকে এমন এক অদম্য সত্তায় পরিণত হতে হবে, যা সব হুমকি নস্যাতে সক্ষম।’ এ সময় বিদেশে বিভিন্ন অভিযানে থাকা উত্তর কোরিয়ার সৈন্যদের ‘উষ্ণ উৎসাহ’ জুগিয়ে বলেন, শুধু দেশের প্রতিরক্ষাতেই বীরত্ব দেখাচ্ছে না সামরিক বাহিনী, তারা সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দূরদূরান্তেও কাজ করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত